পুবের কলম প্রতিবেদক: রাজ্যের আন-এডেড মাদ্রাসাগুলির শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে রাজ্য সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে শিক্ষক সমাজের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। বিশেষ করে বকেয়া বেতন প্রদানের কাজ শুরু হওয়াকে সবাই অত্যন্ত ভালো পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
সম্প্রতি রাজ্যের ৩৬৬টি অনুমোদিত আন-এডেড মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেতন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের জন্য রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে অল বাংলা মাদ্রাসা টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের মতে, এতে সরকারের সদিচ্ছা স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।
এই বিষয় নিয়ে বুধবার সংগঠনের একটি প্রতিনিধিদল সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের মুখ্য উপদেষ্টা ড: আধুল সাত্তার সাহেব -এর সঙ্গে দেখা করেন। পাশাপাশি সংখ্যালঘু দপ্তরের ডিরেক্টর অব মাদ্রাসা এডুকেশন আধুল রাকিব শেখ সাহেব, জয়েন্ট ডিরেক্টর অব মাদ্রাসা এডুকেশন মোদ্দাসের মোল্লা সাহেব , এর সঙ্গে কথা বলা হয়।
বৈঠকে সিনিয়র মাদ্রাসায় ( প্রথম থেকে অষ্টম ) সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ১৪ জন শিক্ষক ও কর্মীর অনুমোদন, যে সমস্ত শিক্ষকের ভেরিফিকেশন কমপ্লিট হয়ে গেছে তাদের দ্রুত বেতন দেওয়া ও ভেরিফিকেশন কমপ্লিট হওয়া সত্বেও যে সমস্ত মাদ্রাসা এখনো বেতন পায়নি তাদের দ্রুত বেতনের ব্যবস্থা করা এবং যে সমস্ত মাদ্রাসার এখনো ভেরিফিকেশন হয়নি তাদের ভেরিফিকেশন দ্রুত শেষ করার বিষয়ে আলোচনা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দপ্তরের আধিকারিকরা বিষয়গুলি মন দিয়ে শুনেছেন এবং ধাপে ধাপে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।
এই বৈঠকে সংগঠনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি শামসুল আরেফিন, সেক্রেটারি মুহাম্মদ সামিউল ইসলাম, সহ সভাপতি সেখ সামিউল্লাহ,কনভেনার সাইদুল ইসলাম, পাশাপাশি কামরুল হক, আনিশুলশা, ফিরোজ উদ্দিন মন্ডল, যুগ্ম সম্পাদক আধুস সাত্তার গোলদার,অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সংগঠনের নেতারা বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার সংখ্যালঘু শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতির জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করছে। কিছু কাজ বাকি থাকলেও সরকার যে সমস্যা সমাধানের পথে এগোচ্ছে, তা আশা জাগাচ্ছে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে আশা করা হয়েছে, সরকারের এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে খুব শীঘ্রই আন-এডেড মাদ্রাসার শিক্ষক ও কর্মীদের সব সমস্যা মিটবে এবং শিক্ষাব্যবস্থা আরও ভালো হবে।





























