পুবের কলম প্রতিবেদক: পুরসভায় কর্মী নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ। সেই ঘটনা আদালত পর্যন্ত পৌঁছয়। তারপর সিবিআই তদন্তরের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা উচ্চ আদালত। সেই কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে তৎপর হল সিবিআই। এই প্রথমবার প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে অয়ন শীলকে জেরা করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
সূত্রের খবর, সমস্ত প্রশ্নের জবাবই নাকি এড়িয়ে গিয়েছেন অয়ন শীল।আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, তথ্যের খোঁজে অয়নকে নিজেদের নেওয়ার কথাও ভাবছে সিবিআই কর্তারা।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, রাজ্যের প্রায় ৬০টি পুরসভার কর্মী নিয়োগ করে অয়ন শীলের সংস্থা। আর এই নিয়োগের জন্য এক একজনের থেকে চার থেকে আট লক্ষ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হত বলে অভিযোগ। সেইমতো পুর-দুর্নীতি থেকে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা ও এসএসসি অর্থাৎ- ßুñল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতি থেকে অন্তত ৩৫ কোটি টাকা কমিশন হিসাবে তুলেছেন অয়ন।
এছাড়াও আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে। গোয়েন্দাদের কাছে আসা হিসাব অনুযায়ী, এসএসসি, টেট-সহ শিক্ষক নিয়োগ ও পুরসভার দুর্নীতি মিলিয়ে প্রায় ৮০ কোটি টাকা কমিশন নিয়েছেন অয়ন। এই বিষয়ে আরও তথ্য পেতে তৎপর গোয়েন্দারা। তাই তদন্তের গতি বাড়ছে।আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, পুর-নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন।
তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বেঞ্চ বদল হয়ে সেই মামলা বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে চলছে। তিনিও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল রাখেন। আদালতের নির্দেশের পর আলিপুর আদালতে সিবিআই এই মামলার তথ্যের খোঁজে জেলে গিয়ে অয়ন শীলকে জেরা করার অনুমতি চায়। সবদিক খতিয়ে দেখে অনুমতি দেন বিচারক। এরপর অয়নকে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে গিয়ে জেরা করেন সিবিআই আধিকারিকরা। প্রায় ঘণ্টাতিনেক ধরে জেরা করা হয় তাঁকে।