পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। বিশেষ করে জেন জি-এর মধ্যে এর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। কার্যত ঝড় তুলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আগেই এর এক্স হ্যান্ডেল বন্ধের অভিযোগ উঠেছে। এবার এবিষয়ে সিবিআই তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার জরুরি ভিত্তিতে সেই মামলার শুনানির আর্জি জানানো হয়ে। তবে সেই আবেদন খারিজ করে দিল শীর্ষ আদলত।
আরও পড়ুন:
জানা যাচ্ছে, মামলা দায়ের করেছিলেন রাজা চৌধুরী নামে একজন আইনজীবী।
তাঁর অভিযোগ, একটি মামলার শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের মৌখিক পর্যবেক্ষণকে ব্যাবসায়িকভাবে কাজে লাগানো হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, এই প্রচারের সঙ্গে কিছু ভুয়ো আইনজীবী যুক্ত থাকতে পারে। তাঁদের আইনি ডিগ্রি নিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন। যদিও প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও ভিএম পাঞ্চোলির বেঞ্চ এবিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে শুনানি করতে রাজি হয়নি। প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, "এটা এরকম কোনো গুরুতর বিষয় নয়। আমরা বিষয়টি দেখব।" এদিন শুনানির সময় আইনজীবী এন কে গোস্বামী যুক্তি দেন যে, এই প্রচার অভিযানটি বিচার বিভাগের মর্যাদা ও ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করছে । তবে জানিয়ে দেয় যে বিষয়টি অতিরঞ্জিত করা হচ্ছে। প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, "বিষয়টাকে এত আবেগপ্রবণভাবে নেবেন না,"আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, সম্প্রতি একটি মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেছিলেন, “আরশোলার মতো অনেক তরুণ আছেন যারা এই পেশায় চাকরি পাচ্ছেন না। কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায়, কেউ আরটিআই কর্মী হয়ে উঠছেন।” এই মন্তব্যের পরেই তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়। অনেকে এই নিয়ে ব্যাঙ্গ করতে শুরু করে। যদিও পরে প্রধান বিচারপতি নিজের ভুল স্বীকার করেন। এবং ব্যাখা করে জানান, তিনি এই মন্তব্যগুলো ভুয়ো যোগ্যতা ও ভুয়ো ডিগ্রি ব্যবহার করে পেশায় যুক্ত হওয়া ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে বলেছিলেন, সাধারণভাবে বেকার যুবকদের নয়।
আরও পড়ুন:
তবুও সোশ্যাল মিডিয়ায় এনিয়ে ব্যাপক ট্রোল, ব্যাঙ্গ শুরু হয়। এরপরেই ইনস্টাগ্রাম, এক্স এবনং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে "ককরোচ জনতা পার্টি" নামে পেজ খোলেন অভিজিৎ দীপকে।
তিনি মূলত প্রবাসী ভারতীয়। বর্তমানে বোস্টনে বসবাস করেন। আগে আম আদমি পার্টির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। "ককরোচ জনতা পার্টি" ইনস্টাগ্রাম ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।আরও পড়ুন:
তবে গত বৃহস্পতিবার ভারতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র এক্স অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এর পরপরই ‘ককরোচ ইজ ব্যাক’ নামে আরেকটি হ্যান্ডেল আসে, যার ট্যাগলাইন ছিল আরশোলারা মরে না। সিজেপি-র বিরুদ্ধে কেন্দ্রের পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন বেশ কয়েকজন বিরোধী নেতা। তাঁদের মতে, এই ব্যঙ্গাত্মক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটি দেশের যুবসমাজের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতারই প্রতিফলন এবং একে দমন করা উচিত নয়।