পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী প্রতিবাদস্থল যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতাদের প্রেবেশ ও জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অভিযোগে দুই শীর্ষ নেতাকে জেলে পাঠানোর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। বুধবার সিজেপি নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেপ্তার ও বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর সিদ্ধান্তকে সরাসরি “কাপুরুষোচিত পদক্ষেপ” বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ এক বার্তায় রাহুল গান্ধী বলেন, যন্তর মন্তরের মতো ঐতিহাসিক স্থানে শান্তিপূর্ণভাবে জাতীয় পতাকা ওড়ানো কোনো অপরাধ হতে পারে না। এই প্রতিবাদস্থলটি ভারতের সাধারণ মানুষের এবং তা ফিরিয়ে আনা হবে বলে তিনি হুঙ্কার দেন।
আরও পড়ুন:
সিজেপি নেতাদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়ে রাহুল গান্ধী তাঁর এক্স বার্তায় লেখেন, "যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে জাতীয় তেরঙ্গা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়।
এর জন্য তরুণদের জেলে পোরা আসলে কেন্দ্র সরকারের কাপুরুষতার পরিচয়। ছাত্র, যুবক, সাংবাদিক থেকে শুরু করে ‘ইন্ডিয়া’ জোট—পতাকা বা ব্যানার ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু উদ্দেশ্য এক। সব প্রতিবাদের বার্তা একটাই: ভারতের নাগরিকরা তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার দাবি করছেন।" বিরোধী দলনেতার কথায়, "যন্তর মন্তর ভারতের সাধারণ মানুষের সম্পত্তি। আমরা খুব শীঘ্রই তা পুনরুদ্ধার করব।"আরও পড়ুন:
এদিকে বুধবার দিল্লির একটি আদালত সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে ৫ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। যন্তর মন্তরে বেআইনিভাবে প্রবেশ ও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার অভিযোগে দিল্লি পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করেছিল। শুনানি চলাকালীন দিল্লি পুলিশের পক্ষে সওয়াল করে বলা হয়, অভিযুক্তরা আনুষ্ঠানিকভাবে সাধারণ মানুষকে প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে জনশান্তি বিঘ্নিত করেছেন। এর আগে তারা এক বছরের জন্য এই ধরনের কোনো বিক্ষোভে অংশ না নেওয়ার অঙ্গীকার করে বন্ড জমা দিয়েছিলেন। বন্ডের সেই আইনি শর্ত লঙ্ঘন করার দোহাই দিয়েই পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ ও হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়।