পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানোতর থামার নেই। শাসক দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে মারধর ও হুমকির অভিযোগ তুলে দফায় দফায় সেখানে বিক্ষোভ হয়েছে। পাশাপাশি পুনর্নির্বাচনের দাবিও উঠেছে। এরইমধ্যে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেখানে পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

এবার ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল প্রার্থীর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। একইসঙ্গে কমিশনের তরফে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে, নির্দেশ মতো কাজ না হলে পুলিশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে। 

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ফলতার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে পুলিশকে। এমনকি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপও করতে বলেছে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার সকাল থেকেই দফায় দফায় ফলতার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ উঠেছে, জাহাঙ্গীরের ঘনিষ্ঠরা বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছেন এমনকি মারধরও করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। এরমধ্যে নাম উঠে এসেছে ইস্রাফুল চোকদারের। অভিযোগ তিনি জাহাঙ্গীর ঘনিষ্ঠ। তাঁর নেতৃত্বেই হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।
 

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের হাশিমনগর এলাকার বাসিন্দাদের বেশিরভাগই হলেন বিজেপির কর্মী। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের নেতৃত্বে হামলা চালানো হচ্ছে। এর প্রতিবাদে শুক্রবার সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে পৌঁছে যান পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা। শনিবার ফের নতুন করে বিক্ষোভ ছড়ায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তারপরেই নিবাছন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না করা হলে পুলিশের ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা  নেওয়া হতে পারে।