পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: বিজেপি বিরোধী আন্দোলনে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের নৈকট্য ক্রমশ বাড়ছে। রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী শিবিরের ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ কর্মসূচিতে সেই ইঙ্গিতই আরও স্পষ্ট হল। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে ‘আমার নেত্রী’ বলে সম্বোধন করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকেও ‘নেতা’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এদিন রামলীলা ময়দানের সভামঞ্চে তরুণ নেতা হিসেবে রাহুল গান্ধীর ভূয়সী প্রশংসা শোনা যায় মমতার মুখে।
রাজনীতিতে সোনিয়া গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুসম্পর্কের কথা সর্বজনবিদিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, রাজ্যে পালাবদল ও বিজেপির ক্ষমতা দখলের পর তৃণমূল যে রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে, সেই আবহে কংগ্রেসের সঙ্গে এই ঘনিষ্ঠতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ঘনঘন দিল্লি সফর এবং ‘ইন্ডি’ জোটের বৈঠকে মমতার উপস্থিতি সেই জল্পনাই উসকে দিচ্ছে।
বিজেপিকে হারাতে দুই শিবিরই একজোট হয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছে। তবে রামলীলা ময়দানে মমতার এই প্রকাশ্য কংগ্রেস-প্রীতি ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিরোধী আন্দোলনে প্রথম সারিতে থাকতে তৃণমূল কি সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সুসম্পর্ককে হাতিয়ার করছে, নাকি পুরোপুরি কংগ্রেসের শরণাপন্ন হচ্ছে ঘাসফুল শিবির তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে। কেন্দ্রের পাশাপাশি রাজ্যেও নয়া রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হতে চলেছে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।