০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘শ্রী রামানুজ শহস্রাব্দী’ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হল রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ বিশ্বের দ্বিতীয় উচ্চতম ‘স্ট্যাচু অব ইকুয়্যালিটি’ উদ্বোধনের আমন্ত্রণ জানানো হল রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দক। মঙ্গলবার রাইসিনা হিলে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানালেন রামানুজ সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান ত্রিডান্ডি চিন্না জিয়ার স্বামী। ২০২২ সালে ‘শ্রী রামানুজ শহস্রাব্দী’ অনুষ্ঠান হতে চলেছে হায়দরাবাদে। ১০০০ বছর উদযাপনের এই অনুষ্ঠান ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। রামানুজাচার্যের ১০০০ তম জন্মের বছর উপলক্ষে সামাজিক কল্যাণের জন্য ১০৩৫ টি যজ্ঞেকুণ্ডে লক্ষ্মী-নারায়ণ যজ্ঞের আয়োজন করা হবে।

শামসাবাদের মুচিঞ্চল এলাকায় রামানুচার্যের আশ্রমেই ২০০ একর জমির উপর এই বিশালাকার তামাটে রঙের মূর্তিটি নির্মাণের কাজও প্রায় শেষ। মূর্তিটি নির্মাণ করতে খরচ হয়েছে প্রায় ১০০০ কোটি টাকা। প্রায় ১৮০০ টন পঞ্চ লোহা ব্যবহার করা হয়েছে।

শ্রী রামানুচার্য স্বামী জন্মগ্রহণ করেন তামিলনাড়ুতে। শ্রী রামানুচার্য, উপাধ্যায়, লক্ষ্মণ মুনি নামেও পরিচিত। সাধারণভাবে হিন্দুরা তাকে হিন্দু দর্শনের বিশিষ্টাদ্বৈত বেদান্তের প্রধান ব্যাখ্যাদানকারী হিসেবে দেখেন। রামানুজ বেদান্ত দর্শনের উপর ভিত্তি করে তাঁর নতুন দর্শন বিশিষ্টাদ্বৈত বেদান্ত রচনা করেছিলেন। বেদান্ত ছাড়াও রামানুজাচার্য সপ্তম-দশম শতকের মরমী ও ভক্ত আলওয়ার সাধুদের ভক্তি দর্শনের এবং দক্ষিণের পঞ্চরাত্র ঐতিহ্যের ভিত্তি তৈরি করেছিলেন। রামানুজাচার্য ছিলেন আলওয়ার সন্ত যমুনাচার্যের প্রধান শিষ্য। তিনি গৃহ ত্যাগ করেন এবং শ্রীরঙ্গমের জ্যোতিরাজ নামে এক সন্ন্যাসীর কাছ থেকে দীক্ষা নেন। সব মানুষকে এক গণ্য করার লক্ষ্য ভক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথপ্রদর্শক ছিলেন এই রামানুজাচার্য। তাঁর ১০০০ তম জন্মবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে আগামী বছর এক সপ্তাহব্যাপী বিরাট মাপের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। হায়দরাবাদ শহরের সন্নিকটে শামসাবাদে তাঁর আশ্রমেই একটি বিশালাকার মূর্তি বানানো হয়েছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্ট্যাচু অব ইকুয়্যালিটি’। অর্থাৎ যা হল সমতার প্রতীক। ১০৮ ফুটের এই স্ট্যাচু একবার উদ্বোধন হলে তা পৃথিবীর দ্বিতীয় উচ্চতম মূর্তি বিশ্বের সামনে আসবে।

সর্বধিক পাঠিত

প্রতিবেশী দেশগুলোর উপর আক্রমণ করবে না ইরান, বড় ঘোষণা রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘শ্রী রামানুজ শহস্রাব্দী’ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হল রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ বিশ্বের দ্বিতীয় উচ্চতম ‘স্ট্যাচু অব ইকুয়্যালিটি’ উদ্বোধনের আমন্ত্রণ জানানো হল রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দক। মঙ্গলবার রাইসিনা হিলে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানালেন রামানুজ সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান ত্রিডান্ডি চিন্না জিয়ার স্বামী। ২০২২ সালে ‘শ্রী রামানুজ শহস্রাব্দী’ অনুষ্ঠান হতে চলেছে হায়দরাবাদে। ১০০০ বছর উদযাপনের এই অনুষ্ঠান ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। রামানুজাচার্যের ১০০০ তম জন্মের বছর উপলক্ষে সামাজিক কল্যাণের জন্য ১০৩৫ টি যজ্ঞেকুণ্ডে লক্ষ্মী-নারায়ণ যজ্ঞের আয়োজন করা হবে।

শামসাবাদের মুচিঞ্চল এলাকায় রামানুচার্যের আশ্রমেই ২০০ একর জমির উপর এই বিশালাকার তামাটে রঙের মূর্তিটি নির্মাণের কাজও প্রায় শেষ। মূর্তিটি নির্মাণ করতে খরচ হয়েছে প্রায় ১০০০ কোটি টাকা। প্রায় ১৮০০ টন পঞ্চ লোহা ব্যবহার করা হয়েছে।

শ্রী রামানুচার্য স্বামী জন্মগ্রহণ করেন তামিলনাড়ুতে। শ্রী রামানুচার্য, উপাধ্যায়, লক্ষ্মণ মুনি নামেও পরিচিত। সাধারণভাবে হিন্দুরা তাকে হিন্দু দর্শনের বিশিষ্টাদ্বৈত বেদান্তের প্রধান ব্যাখ্যাদানকারী হিসেবে দেখেন। রামানুজ বেদান্ত দর্শনের উপর ভিত্তি করে তাঁর নতুন দর্শন বিশিষ্টাদ্বৈত বেদান্ত রচনা করেছিলেন। বেদান্ত ছাড়াও রামানুজাচার্য সপ্তম-দশম শতকের মরমী ও ভক্ত আলওয়ার সাধুদের ভক্তি দর্শনের এবং দক্ষিণের পঞ্চরাত্র ঐতিহ্যের ভিত্তি তৈরি করেছিলেন। রামানুজাচার্য ছিলেন আলওয়ার সন্ত যমুনাচার্যের প্রধান শিষ্য। তিনি গৃহ ত্যাগ করেন এবং শ্রীরঙ্গমের জ্যোতিরাজ নামে এক সন্ন্যাসীর কাছ থেকে দীক্ষা নেন। সব মানুষকে এক গণ্য করার লক্ষ্য ভক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথপ্রদর্শক ছিলেন এই রামানুজাচার্য। তাঁর ১০০০ তম জন্মবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে আগামী বছর এক সপ্তাহব্যাপী বিরাট মাপের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। হায়দরাবাদ শহরের সন্নিকটে শামসাবাদে তাঁর আশ্রমেই একটি বিশালাকার মূর্তি বানানো হয়েছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্ট্যাচু অব ইকুয়্যালিটি’। অর্থাৎ যা হল সমতার প্রতীক। ১০৮ ফুটের এই স্ট্যাচু একবার উদ্বোধন হলে তা পৃথিবীর দ্বিতীয় উচ্চতম মূর্তি বিশ্বের সামনে আসবে।