উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়: বছর গড়ালেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে সমবায় নির্বাচনে জয়ের ধারা অব্যাহত শাসক দলের। কুলতলির জয়নগরের উত্তর বাইশহাটা সমবায় নির্বাচনে সবুজ ঝড়। বৃহস্পতিবার এসইউসিআই-এর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। মোট ৬টি আসনের একটিতেও প্রার্থী দিতে পারেনি বিরোধীরা।
প্রার্থী না দেওয়ায় ৬টি আসনের তৃণমূলের প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করেন নির্বাচনের দায়িত্ব প্রাপ্ত আধিকারিক দেবরাজ নস্কর।আরও পড়ুন:

১৯৫২ সালের তিন জুলাই এই সমবায় গঠিত হয়। তারপর টানা ৭৩ বছর ধরে ক্ষমতায় ছিল এসইউসিআই। প্রথমবার বিরোধী শূন্যভাবে সমবায়ে নির্বাচন হল। একক ভাবে ক্ষমতা দখল করল তৃণমূল কংগ্রেস।
বাইশহাটা সমবায় নির্বাচনে জয়ী ৬ জন প্রার্থী হলেন আয়েশা মিস্ত্রী, মমতাজ লস্কর, মোশারফ মোল্লা, সোলেমান মোল্লা,সাহালম গায়েন ও দুলাল ভুঁইয়া। এদিন ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। যে কোনও রকম গন্ডগোল এড়াতে বকুলতলা থানার ওসি প্রদীপ রায়ের নেতৃত্বে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।আরও পড়ুন:

সমবায় নির্বাচনে জয়ের পরে বাইশহাটা অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নূর হোসেন গাজি বলেন, কুলতলি বিধানসভার বিধায়ক গণেশচন্দ্র মণ্ডলের উন্নয়ন দেখে এলাকার মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের এই সমবায়ের দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন। দীর্ঘ ৭৩ বছর ধরে এসইউসিআই এই সমবায়কে নিজেদের দলীয় অফিস বানিয়ে ফেলেছিল।
মানুষের উন্নয়নে সমবায়ের কোনও কাজ এরা করেনি। তার বদলে এরা বহু দেনা করে গেছে।তাই আর নির্বাচনে দাঁড়াতে সাহস পায়নি। আমাদের হাতে সমবায় দায়িত্ব এবার এল। আমরা কুলতলির বিধায়কের নির্দেশ মেনে এই সমবায়ের মাধ্যমে এলাকার উন্নয়নে কাজ করব। ২০২৬-এর বিধানসভার আগে শাসকদলের এই জয়কে অ্যাসিড টেস্ট হিসাবে দেখছে ওয়াকিবহাল মহল।