পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বিহারে অপরাধ দমনে এবার 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। নারী নির্যাতন ও জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে প্রশাসনের ঢিলেমি যে বরদাস্ত করা হবে না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানান, কোনো নাবালিকার ওপর নৃশংস অপরাধ ঘটলে ভুক্তভোগীর মৃত্যুর ১৩ দিনের পারলৌকিক কাজ বা 'তেরহভী' হওয়ার আগেই যেন অপরাধীকে খতম করে তার ছবিতে মালা ঝোলানো হয়।

রাজ্যের শাসনভার গ্রহণ করার পর জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে এটিই ছিল মুখ্যমন্ত্রীর প্রথম বৈঠক। অপরাধ, দুর্নীতি এবং সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন, "নাবালিকাদের ওপর নৃশংস অপরাধের ক্ষেত্রে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিন।

নিশ্চিত করুন যেন মৃত নির্যাতিতার তেরহভী হওয়ার আগেই অপরাধীদের ছবিতে মালা চড়ে। রাজ্যে কোনোভাবেই অপরাধীদের রেয়াত করা হবে না।" পুলিশি তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলাশাসকদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিহারে দুটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের পরই এই জরুরি বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী। ভাগলপুরে নিজের চেম্বারে এক সরকারি আধিকারিককে খুন এবং সিওয়ানে পথ-বিবাদকে কেন্দ্র করে এক বিজেপি নেতার ভাইপোকে হত্যার ঘটনায় প্রশাসনের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। এই আবহে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিলেন যে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পুলিশকে এখন থেকে আরও আগ্রাসী ভূমিকা পালন করতে হবে।