পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের অস্থিরতা এবং জ্বালানি সংকটের মধ্যেই ঘরোয়া রান্নার গ্যাসের দাম স্থির রাখল কেন্দ্র। তবে এর বিপরীতে বাণিজ্যিক এলপিজি (১৯ কেজি) সিলিন্ডারের দাম গড়ে ৯৯৩ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে রেস্তোরাঁ ও হোটেল ব্যবসার খরচ একধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুন:
ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই নিয়ে মোট তিনবার বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়ানো হলো।
দিল্লিতে ১৯ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম ২,০৭৮.৫০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩,০৭১.৫০ টাকা। একইভাবে মুম্বাইতে এর দাম ২,০৩১ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩,০২৪ টাকা। গত মার্চ এবং এপ্রিলেও পর্যায়ক্রমে এই সিলিন্ডারের দাম যথাক্রমে ১৪৪ টাকা ও ২০০ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।আরও পড়ুন:
ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, জ্বালানির এই বিপুল দাম বাড়ার ফলে খাবারের দামও বাড়বে।
রেস্তোরাঁ ও ছোট হোটেলগুলি এই বাড়তি খরচের বোঝা সরাসরি গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দিতে পারে, যার ফলে বাইরে খাওয়া বা খাবার ডেলিভারি নেওয়া আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে।আরও পড়ুন:
বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়লেও সাধারণ মানুষের জন্য খুচরো পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হয়নি। এছাড়া বড় স্বস্তি পেয়েছে বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রও। ঘরোয়া রুটের বিমানের জ্বালানির (ATF) দাম আপাতত অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ভোক্তাদের সুরক্ষাকবচ দিলেও তেল বিপণন সংস্থাগুলি বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বর্তমানে সংস্থাগুলি প্রতি ব্যারেল পিছু ১২০ ডলারের বেশি দামে অপরিশোধিত তেল কিনলেও বিক্রি করছে অনেক কম দামে।