পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ চলাকালীনই বিজেপির জয়ের ব্যাপারে প্রবল আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার উত্তরপ্রদেশের হরদইয়ে গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলার মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিচ্ছেন এবং সেই ভোটই বিজেপিকে ঐতিহাসিক জয়ের মুখে পৌঁছে দেবে।
আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী বলেন,
“আজকের দিনটি গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিচ্ছেন। ভোটের হার যেভাবে বাড়ছে, তা প্রমাণ করছে মানুষ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এবং উন্নয়নের পক্ষে দাঁড়াতে চাইছেন।
মোদি আরও বলেন, প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফাতেও বাংলায় বিপুল ভোট পড়ছে, যা সাধারণ মানুষের উৎসাহ এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের প্রতিফলন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, এই ভোট শুধুমাত্র সরকার গঠনের জন্য নয়, বরং উন্নত ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন,
“আমি আত্মবিশ্বাসী যে পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনে বিজেপি জয়ের এক ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক করতে চলেছে। ৪ মে-র ফলাফল দেশের উন্নয়নের গতিকে আরও শক্তিশালী করবে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে অসম, তামিলনাড়ু, কেরল, পুদুচেরি এবং পশ্চিমবঙ্গে। মোদির দাবি, দক্ষিণের তামিলনাড়ু ও কেরল বাদ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ-সহ বাকি তিন রাজ্যে বিজেপি জয় পেতে চলেছে। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক নির্বাচনী ফলও সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে।
আরও পড়ুন:
হরদইয়ের সভা থেকে তিনি বলেন,
“বিহারে বিজেপি এবং এনডিএ ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে। গুজরাটের পুরসভা নির্বাচনেও বিজেপি প্রায় ৮৫টি আসনে জয়ী হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বাংলার নির্বাচন প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ভোটহিংসা নিয়েও কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, গত ছয়-সাত দশকে বাংলায় রক্তপাতহীন নির্বাচন অকল্পনীয় ছিল, কিন্তু এবার মানুষ অনেক বেশি স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন। তাঁর দাবি, বাড়তি ভোটের হারই প্রমাণ করছে মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে মত দিচ্ছেন।
আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যে স্পষ্ট, দ্বিতীয় দফার ভোট চলাকালীনই বিজেপি শিবিরে জয়ের ব্যাপারে প্রবল আশাবাদ ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। এখন নজর ৪ মে-র ফলাফলের দিকে, যেখানে স্পষ্ট হবে বাংলার মানুষ কোন পথে এগোতে চাইছেন।