পুবের কলম ওয়েবডেস্ক :
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন বরাবরই শুধু একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নয়, এটি রাজ্যের সামাজিক-অর্থনৈতিক স্পন্দনের প্রতিফলন। ২০২৬ সালের নির্বাচন সেই অর্থে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে—কারণ দীর্ঘদিন পর মাত্র দুই দফায় ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০২১ সালে যেখানে আট দফায় নির্বাচন হয়েছিল, সেখানে এবার দুই দফায় ভোট হওয়া প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দিক থেকে বড় পরিবর্তন। প্রথম দফার ভোট (২৩ এপ্রিল) ছিল এই নির্বাচনের ভিত্তি—যেখানে প্রায় তিন কোটিরও বেশি ভোটার তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন।

উচ্চ ভোটদানের হার, কিছু বিচ্ছিন্ন উত্তেজনা, এবং হেভিওয়েট প্রার্থীদের উপস্থিতি—সব মিলিয়ে প্রথম দফার ভোট ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। 
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এ দ্বিতীয় দফার ভোট যেন একেবারে ভিন্ন চরিত্র নিয়ে হাজির হয়েছে। প্রথম দফায় যেখানে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলের গ্রামীণ ও অর্ধশহুরে অঞ্চলগুলি ছিল কেন্দ্রবিন্দু, সেখানে দ্বিতীয় দফা মূলত শহরাঞ্চল, শিল্পাঞ্চল এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার ভোট। ১৪২টি বিধানসভা আসনে এই দফায় ভোটগ্রহণ হচ্ছে ৭টি গুরুত্বপূর্ণ জেলায়—কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, নদীয়া এবং পূর্ব বর্ধমান।
রাজনৈতিকভাবে এই দফা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এখানেই রয়েছে রাজ্যের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ আসন ভবানীপুর, যেখানে মুখোমুখি লড়াইয়ে নেমেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শহুরে ভোটার, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক—সব মিলিয়ে এই দফা নির্ধারণ করতে পারে চূড়ান্ত ফলাফলের দিকনির্দেশ।
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের চূড়ান্ত পর্বের ভোটগ্রহণ শুরু হল।
শিবপুরে ভোটগ্রহণ বিলম্বিত
বারবার ইভিএম বিকল হওয়ার কারণে হাওড়ার শিবপুরের ৭২ নম্বর বুথে ভোটগ্রহণ বিলম্বিত হয়েছে। বুথগুলিতে নিযুক্ত ইঞ্জিনিয়াররা সময়মতো না পৌঁছানোয় ভোট কর্মকর্তারা সেগুলি ঠিক করাতে পারছেন না। প্রখর রোদে লাইন দীর্ঘ হতে থাকায় মানুষ ক্রমশ উত্তেজিত ও অধৈর্য হয়ে উঠছে