পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ শেষ লগ্নের প্রচারে যাওয়ার পথে আক্রান্ত হয়েছেন আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালী বাগ। গোঘাটে তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনায় তিনি আহত হয়েছেন। তারপরেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরেই তাঁকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেই হামলা নিয়ে বিজেপিকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল সেনাপতি।
আরও পড়ুন:
এদিন মিতালীকে হাসপাতালে দেখতে যাওয়ার পর প্রচারের মঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, "যারা হামলার সঙ্গে যুক্ত সিসিটিভি দেখে খুঁজে বের করা হবে। তৃণমূল হারুক বা জিতুক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" কারা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত ইতিমধ্যেই তা চিহ্নিত করা হয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিষেক। প্রচারের মঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, মিতালীর অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন যে ঠিকমতো কথাও বলতে পারছেন না।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, গোঘাটে পরিস্থিতি ঘিরে উদ্বেগ বাড়তেই কড়া অবস্থান নেয় নির্বাচন কমিশন।
ঘটনার তদন্তে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল-এর তরফে নির্দেশ, এফআইআর দায়ের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে প্রশাসনকে।আরও পড়ুন:
তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরাই এই হামলার সঙ্গে যুক্ত। হামলাকারীরা সাংসদের গাড়ি আটকে বড় পাথর ও লাঠি দিয়ে ভাঙচুর চালায়, এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়েও হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি। গাড়ির কাচ ভেঙে গিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত পান মিতালী বাগ।
আরও পড়ুন:
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে সাংসদ জানান, কর্মী-সমর্থকদের ডাকে দ্রুত সভাস্থলে পৌঁছনোর চেষ্টা করছিলেন তিনি।
সেই সময় মাঝপথে গাড়ি থামিয়ে তাঁকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। তাঁর নিরাপত্তারক্ষী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও হামলাকারীরা তাঁকে গাড়ি থেকে নামার হুমকি দেয় এবং প্রাণনাশের ভয় দেখায়। কোনওরকমে প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন বলেই জানিয়েছেন তিনি। এই ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক প্ররোচনার অভিযোগ তুলেছেন সাংসদ। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা-র বক্তব্যের পর থেকেই বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে আক্রমণাত্মক মনোভাব বেড়েছে। অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।