বাংলাদেশের দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় পদ্মা নদীতে বাস ডুবে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার গভীর রাতে দীর্ঘ উদ্ধার অভিযানের পর ডুবে যাওয়া বাসটি নদী থেকে তোলা হয়।
উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র ক্রেনের সাহায্যে রাত ১২টার দিকে বাসটি পানির নিচ থেকে তুলে আনা হয়। এরপর রাত আড়াইটার দিকে ফায়ার সার্ভিস জানায়, বাসটির ভেতর থেকে ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে চারজন পুরুষ, ১০ জন নারী এবং দুইজন শিশু রয়েছে।


এর আগে স্থানীয় মানুষ দুজনকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ জনে পৌঁছায়।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রথমে ১৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছিল। পরে উদ্ধার অভিযান এগোতে থাকলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ে।
জানা গেছে, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর বাসটি বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঘাটে নদী পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল।
সেই সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে সরাসরি পদ্মা নদী-তে পড়ে যায়।
প্রাথমিকভাবে বাসটিতে কম যাত্রী থাকলেও পথে পথে যাত্রী ওঠানো হয়। শেষ পর্যন্ত বাসটিতে প্রায় ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার পর রাতভর উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। এখনও নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।