উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ ভোটের ফলাফল বার হবার পর থেকে বদলে গেছে রাজ্যের চিত্র। ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেসের শাসন কাল কাটিয়ে বাংলায় এখন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকার। আর বিজেপি ক্ষমতায় এসে পুলিশ প্রশাসনকে দলদাস মুক্ত করে তাদের কাজ তাদের হাতেই ছেড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর এর পরেই পুলিশের তৎপরতায় একের পর এক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠ সমাজ বিরোধীদের গ্রেফতার করছে পুলিশ। আর এবার আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগে কুলতলি থেকে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ।
ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ। মঙ্গলবার ধৃতদের বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়।আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কুলতলি থানার মেরিগঞ্জ ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা জাকির লস্কর স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রীয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে তার বাড়িতে প্রথমে হানা দেয় কুলতলি থানার পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের পর তার কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়।
এরপরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্যদিকে, কুলতলি থানার ১৩ নম্বর রাধাবল্লভপুর এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর খানের কাছ থেকেও উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ। পুলিশের দাবি, জাহাঙ্গীর এলাকার কুখ্যাত সমাজবিরোধী।আরও পড়ুন:
গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে তার বাড়িতে ও অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের সময় একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয় তার কাছ থেকে।
তাকেও মঙ্গলবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করে কুলতলি থানার পুলিশ।ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্তের কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় পুলিশ।তাদের সাথে আর কে কে ছিলো, আর কোথায় কোথায় আগ্নেয়াস্ত্র আছে,কোথায় কোথায় তারা কিভাবে অপরেশন করতো সব কিছু জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।আর পুলিশের তৎপরতায় এই কাজ এখন ধারাবাহিক হবে।এলাকাকে সমাজ বিরোধী মুক্ত করাই এখন চ্যালেঞ্জ পুলিশের।