পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আগামী ২১ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত টানা তিন দিনের ধর্মঘটের ডাক দিল দিল্লির অটো ও ট্যাক্সি চালকদের ইউনিয়নগুলি। সিএনজি ও পেট্রোল-ডিজেলের লাগাতার মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অবিলম্বে ট্যাক্সি ও অটোর ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে এই ‘চাকা জ্যাম’-এর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ওলা, উবার এবং র্যাপিডোর মতো অ্যাপ-ভিত্তিক ক্যাব অ্যাগ্রিগেটর সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে চালকদের তীব্র অর্থনৈতিক শোষণের অভিযোগ তুলেছে ইউনিয়নগুলি।
আরও পড়ুন:
ধর্মঘটের ডাক দিয়ে ‘চালক শক্তি ইউনিয়ন’-এর সহ-সভাপতি অনুজ কুমার রাঠোর বলেন, “অনবরত সিএনজি, পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম বাড়ায় মধ্যবিত্ত চালকেরা তাঁদের পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।
তাই দিল্লির অন্যান্য সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ‘চালক শক্তি ইউনিয়ন’ আগামী ২১, ২২ এবং ২৩ মে চাকা জ্যামের ডাক দিয়েছে। এই তিন দিন সমস্ত চালক ভাইদের গাড়ি না চালানোর জন্য আবেদন জানানো হচ্ছে।”আরও পড়ুন:
ইউনিয়নের পক্ষ থেকে পাঠানো একটি চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে যে, জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া হলেও দিল্লি-এনসিআর এলাকায় গত প্রায় ১৫ বছর ধরে ট্যাক্সির ভাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে। এর ওপর গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, বিমা, ফিটনেস সার্টিফিকেট, পারমিটের ফি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি চালকদের লভ্যাংশকে তলানিতে এনে ঠেকিয়েছে।
বাজারদরের এই চড়া মুদ্রাস্ফীতির বাজারে পুরনো হারে ভাড়া মেলায় চালকদের জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।আরও পড়ুন:
ইউনিয়নের চিঠিতে অ্যাপ-নির্ভর বহুজাতিক সংস্থাগুলির ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলা হয়েছে, “ওলা, উবার এবং র্যাপিডোর মতো অ্যাপ-ভিত্তিক সংস্থাগুলি সম্পূর্ণ নিজেদের খেয়ালখুশি মতো ব্যবসা চালাচ্ছে। এর ফলে দিল্লি-এনসিআর-এর চালকেরা এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক শোষণের শিকার হচ্ছেন।” এই শোষণ বন্ধ করতে এবং চালকদের সুরক্ষার্থে অবিলম্বে সরকারের হস্তক্ষেপ ও নীতি নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে ইউনিয়নগুলি।