পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারকে অবশেষে গ্রেফতার করল ইডি। আজ রবিবার সকালে সান এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় এস কামদারের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি। পরে তাঁকে আটক করে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। অবশেষে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তাঁকে আটক করল ইডি। বিকেল ৫টা নাগাদ জানা যায়, ওই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

সূত্রের খবর, ভোরে ইডির অভিযানে শুধু বেহালাই নয়, শহরের আরও কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়।

ফার্ন রোডে এক ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের ফ্ল্যাটেও পৌঁছে যায় ইডির দল। অন্যদিকে বেহালায় জয় এস কামদারের বাড়িতে গিয়ে প্রথমে বাধার মুখে পড়তে হয় আধিকারিকদের। প্রায় ৪০ মিনিট বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করতে হয় তাঁদের। দরজা না খোলা এবং বাড়ির ভিতরে কুকুর ছাড়া থাকায় প্রবেশ করতে দেরি হয় বলে জানা গেছে। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে বাড়িতে ঢোকেন ইডির আধিকারিকরা।

বাড়িতে ঢোকার পর পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ফোন সংগ্রহ করে নেওয়া হয়।

সকাল ৬টা ৪০ মিনিট নাগাদ শুরু হওয়া তল্লাশি চলে দীর্ঘ সময় ধরে। এরপর বেলা প্রায় ১১টার সময় জয় এস কামদারকে আটক করে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তদন্তকারীদের মতে, এই অভিযানের সূত্রপাত বালিগঞ্জের সোনা পাপ্পু নামে পরিচিত এক ব্যক্তিকে ঘিরে। ওই ব্যক্তির সঙ্গে জয় এস কামদারের যোগাযোগ ছিল বলে সন্দেহ করছে ইডি। একাধিক বেআইনি আর্থিক লেনদেনের তথ্য মিলেছে বলেও দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই এই অভিযান।
 

ইডি সূত্রে আরও জানা গেছে, এর আগেও দু’বার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছিল জয় এস কামদারকে। কিন্তু তিনি উপস্থিত হননি। তার পরেই এই তল্লাশি ও আটক করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, জয় প্রোমোটিংয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অতীতেও তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই সময় বেশ কিছু পরিমাণ নগদ অর্থও উদ্ধার করেছিল তারা। এদিকে, সোনা পাপ্পুর মামলায় বেহালার পাশাপাশি বালিগঞ্জেও অভিযান চালিয়েছে ইডি। কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের বাড়িতে যায় ইডি।