পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম বের হতেই আবেদনকারীদের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে। কিভাবে ১২ পাতার ফর্ম পূরণ করবেন তা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এ নিয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। প্রয়োজন হলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফরম পূরণের সহায়তা করা হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপরেও অনেকের মধ্যে সংশয় রয়ে গিয়েছে। এই ফর্মে কী কী থাকছে তার বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হল।
আরও পড়ুন:
প্রথম পাতায় ন'টি বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে
আরও পড়ুন:
পরিবারের প্রধানের নাম, আধার কার্ড অনুযায়ী নাম লিখতে হবে।
আরও পড়ুন:
জন্ম তারিখ।
আরও পড়ুন:
পরিবারের প্রধানের লিঙ্গ।
আরও পড়ুন:
পরিবারের প্রধানের আধার নম্বর।
আরও পড়ুন:
ডিজিটাল রেশন কার্ডের পারিবারিক আইডি যদি থাকে।
আরও পড়ুন:
পরিবারের সদস্য সংখ্যা কত, তা জানাতে হবে সংখ্যায়।
আরও পড়ুন:
স্থায়ী ঠিকানা দিতে হবে।
আরও পড়ুন:
যোগাযোগ নম্বর অর্থাৎ ফোন নম্বর দিতে হবে। মূলত পরিবারের প্রধানের আধার নম্বর সংযুক্ত মোবাইল নম্বর দিতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এবং নাম, জন্ম তারিখ, লিঙ্গ, পরিবারের প্রধানের সঙ্গে সম্পর্ক, আধার নম্বর যদি পরিবারের সকল সদস্যের থাকে তা জানাতে হবে। এক্ষেত্রে দ্বিতীয় কলামে পরিবারের প্রধান থেকে শুরু করে প্রত্যেক সদস্যের নাম এবং ওই সমস্ত তথ্য দিতে হবে। তারপরে পরিবারের যে যে অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য আবেদন করবেন তাঁদের নামের পাশে টিক দিতে হবে।
তবে বয়স পাঁচ বছরের কম হলে আধার নম্বরের জায়গায় NA লিখতে হবে।আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় পাতায়
আরও পড়ুন:
পরিবারের প্রধান এবং পরিবারের সকল প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্যদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর যেখানে মূলত টাকা লেনদেন হয়। ডিবিটি ক্রেডিটের জন্য আধার লিঙ্ক যুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট দিতে হবে।
আরও পড়ুন:
তৃতীয় পাতায়
আরও পড়ুন:
পরিবারের প্রধান এবং সকল প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের এপিক নম্বর সহ ভোটার তালিকার অংশ নম্বর দিতে হবে।
আরও পড়ুন:
এরপরের বিভাগ জানাতে হবে অর্থাৎ সংরক্ষিত ও অসংরক্ষিত, আর্থিকভাবে দুর্বল, তফশিলি জাতি বা তফশিলি উপজাতী, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণী বা বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনজাতী গোষ্ঠী কিনা জানাতে হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শংসাপত্র দিতে হবে যেমন জাতিগত, আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণি শংসাপত্র, ক্রিমি লেয়ার সংসদ পত্র ইত্যাদি।
আরও পড়ুন:
রেশন কার্ড আছে কিনা বা খাদ্য ভর্তুকি পান কিনা জানাতে হবে।
আরও পড়ুন:
চতুর্থ পাতা
আরও পড়ুন:
ডিজিটাল রেশন কার্ড আছে কিনা জানাতে হবে।
আরও পড়ুন:
যদি থাকে তাহলে কার্ডের ধরন উল্লেখ করতে হবে।
আরও পড়ুন:
পরিবার রেশন দোকান থেকে মাসের রেশন তুলছে কিনা জানাতে হবে।
আরও পড়ুন:
এরপরে সম্পদের বিষয়ে বিবরণ নিতে হবে।
আরও পড়ুন:
এক্ষেত্রে বাড়ির ধরণ অর্থাৎ বাড়িতে তিন বা তার বেশি পাকা ঘর আছে কিনা জানাতে হবে।
আরও পড়ুন:
পারিবারিক জমির মালিকানা কি সেটা জানাতে হবে অর্থাৎ রেজিস্ট্রেশন নথি, মিউটেশনের কপি এবং আরওআর হালনাগাদের তারিখসহ সর্বশেষ জমির রেকর্ডের কপি দিতে হবে।
আরও পড়ুন:
পরিবারের সকল সদস্যের মোট জমির পরিমাণ শতকে জানাতে হবে। এক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন নথি এবং সর্বশেষ আরওআর জমির নথি লাগবে।
আরও পড়ুন:
যানবাহনের ক্ষেত্রে আবেদনকারী বা পরিবারের কোনো সদস্যের অবাণিজ্যিক মোটর চালিত চার চাকার গাড়ি আছে কিনা জানাতে হবে। থাকলে গাড়ির সংখ্যা কত জানাতে হবে। এছাড়া গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে।
আর সেই সঙ্গে গাড়ি, জীপ না ট্রাক্টর কোন মডেল তা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।আরও পড়ুন:
পারিবারিক সদস্যদের স্বাস্থ্য বীমা রয়েছে কিনা জানাতে হবে। থাকলে তার বিবরণ উল্লেখ করতে হবে।
আরও পড়ুন:
পাঁচ নম্বর পাতায়
আরও পড়ুন:
সেক্ষেত্রে আয়কর বা পেশাগত কর প্রদান করেন কি না তা জানাতে হবে।
আরও পড়ুন:
পরিবারের সদস্যদের প্যান কার্ড যদি থাকে তাহলে নাম এবং নম্বর দিতে হবে। প্রত্যেকের আলাদা আলাদাভাবে দিতে হবে।
আরও পড়ুন:
কর্মসংস্থানের ধরন জানাতে হবে। সরকারি ক্ষেত্র না বেসরকারি ক্ষেত্র অথবা অসংগঠিত ক্ষেত্রে স্বনিযুক্ত, আংশিক সময়ের কর্মরত, অসংগঠিত ক্ষেত্রে সংযুক্ত পরিযায়ী শ্রমিক, বেকার বা অন্যান্য যা আছে তা জানাতে হবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নথি বা প্রত্যায়িত জমা দিতে হবে।।
আরও পড়ুন:
ছয় নম্বর পাতায়
আরও পড়ুন:
পরিবারের শিক্ষিত প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের সংখ্যা এবং পরিবারের অশিক্ষিত প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের সংখ্যা জানাতে হবে। এক্ষেত্রে টিক মার্ক দিতে হবে।
আরও পড়ুন:
সাত পাতায়
আরও পড়ুন:
কোন সদস্য কোন সাংবিধানিক পদ, মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক ও পৌরসভা বা পঞ্চায়েতের প্রাক্তন বা বর্তমান কোন পদে আছেন কিনা জানাতে হবে । থাকলে তার সদস্য নম্বর দিতে হবে।
আরও পড়ুন:
কোন সদস্য সরকারি পেনশনভোগী কিনা জানাতে হবে। এক্ষেত্রে পেনশন স্লিপ জমা দিতে হবে।
আরও পড়ুন:
কোন সদস্য কি জিএসটি আওতায় আছেন? সেটাও জানাতে হবে।
থাকলে জিএসটি নম্বর দিতে হবেআরও পড়ুন:
পরিবারের মোট বার্ষিক আয় কত তা জানাতে হবে।
আরও পড়ুন:
সিএএ আবেদনের বর্তমান অবস্থা কি সেটা জানাতে হবে। যদি আবেদন করা হয়ে থাকে এক্ষেত্রে আবেদন নম্বর জানাতে হবে এবং ইস্যু করা হলে সার্টিফিকেট নম্বর দিতে হবে।
আরও পড়ুন:
আট পাতায়
আরও পড়ুন:
কিষান ক্রেডিট কার্ড, কিষান ক্রেডিট কার্ড এ আর ডি, শিল্পী ক্রেডিট কার্ড, মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ড, শিক্ষার্থী ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদি থাকলে তার নম্বর আইডি সংখ্যা এবং যে তারিখে ইস্যু করা হয়েছে তা জানাতে হবে। প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবরণ দিতে হবে।
আরও পড়ুন:
নয় পাতায়
আরও পড়ুন:
যদি এসআইআর-এ নাম বাদ পড়ে তাহলে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন কিনা তা জানাতে হবে।
আরও পড়ুন:
সামাজিক মর্যাদা এবং নির্ভরশীল ব্যক্তিগণ বিভাগের অধীনে বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত পরিবারের সকল শিশুর বিবরণ দিতে হবে। এক্ষেত্রে শিশুর নাম, কোন শ্রেণীতে পড়্ বিদ্যালয়ের নাম এবং ধরন অর্থাৎ সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত, স্পনসর্ড বিদ্যালয় নাকি বেসরকারি বিদ্যালয়, স্বীকৃত মাদ্রাসা, অন্যান্য মাদ্রাসা এবং অন্যান্য। এই সমস্ত শ্রেণীর মধ্যে যে কোন একটি বেছে নিতে হবে। এক্ষেত্রে অন্যান্য নির্বাচন করলে ওপেন স্কুলিং, হোম স্কুলিং ইত্যাদি জানাতে হবে।
আরও পড়ুন:
১০ পাতায়
আরও পড়ুন:
শিশুদের টিকাকরণের বর্তমান অবস্থা কি জানাতে হবে। যেমন টিকাকরণ শুরু হয়েছে বা সম্পূর্ণ হয়েছে কিনা বা টিকাকরণ করা হয়নি, এই তিনটি বিষয় থাকছে। যদি হ্যাঁ হয় তাহলে টিকাকরণের কার্ড আইডি দিতে হবে আর যদি না হয় তাহলে টিকাকরণ না হওয়ার কারণ জানাতে হবে।
আরও পড়ুন:
১১ পাতায়
আরও পড়ুন:
কোন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা ডিবিটির মাধ্যমে পাচ্ছেন কিনা সেটা জানাতে হবে। আর কি কি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন সেটাও জানাতে হবে। এক্ষেত্রে প্রকল্পের নাম উল্লেখ করতে হবে।
আরও পড়ুন:
১২ পাতায়
আরও পড়ুন:
সরকারি প্রকল্প থেকে বাদ দেওয়া হলে তার কারণ জানাতে হবে।
আরও পড়ুন:
এবং শেষে ঘোষণা বা সম্মতি থাকবে, সে ক্ষেত্রে আবেদনকারী স্বাক্ষর করতে হবে। তবে তাতে বলা হয়েছে যদি কোন তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হয় তাহলে সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত সুবিধা সমূহ বন্ধ করা হতে পারে। এরপরে একেবারে শেষের দিকে যে অংশগুলি থাকছে সেগুলি সরকারি আধিকারিকরা পূরণ করবেন।