পুবের কলম ওয়েবডেস্ক :
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স রুলস, ২০২৫’-এর পরিবর্তন অনুযায়ী, ১৮০ দিন বা তার কম সময়ের ভিসায় ভারতে আসা বিদেশিদের এখন থেকে ভিসার মেয়াদের পরেও থাকতে চাইলে, উক্ত ১৮০ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই যেকোন সময়ে নিজেদের নাম নিবন্ধন করতে হবে।
সোমবার বিজ্ঞাপিত নতুন বিধানটি পূর্ববর্তী সেই নিয়মটিকে প্রতিস্থাপন করবে, যে অনুযায়ী ভারতে আগমনের একশো আশি দিন অতিবাহিত হওয়ার চৌদ্দ দিনের মধ্যে নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক ছিল।"... অভিবাসন ও বিদেশী বিধিমালা, ২০২৫ (এরপরে উক্ত বিধিমালা হিসাবে উল্লিখিত)-এর বিধি ১২-এর, '(ক) উপ-বিধি (১)-এ,' (i) তৃতীয় শর্তে, "ভারতে তার আগমনের একশত আশি দিন অতিবাহিত হওয়ার চৌদ্দ দিনের মধ্যে" শব্দগুলির পরিবর্তে "উক্ত একশত আশি দিন অতিবাহিত হওয়ার পূর্বে যেকোন সময়" শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হবে," বলে গেজেটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
যেসব বিদেশিরা ১৮০ দিনের বেশি মেয়াদের ভিসায় আছেন এবং যাদের ভিসায় এই শর্ত রয়েছে যে “প্রতিবার অবস্থান ১৮০ দিনের বেশি হবে না”, এবং যারা কোন একক উপলক্ষে বা একটি পঞ্জিকা বছরে মোট সেই মেয়াদের পরেও ভারতে থাকতে চান, তাদের “১৮০ দিন শেষ হওয়ার আগে যেকোনো সময়ে” নিবন্ধন করতে হবে। নতুন নিয়মে এখন এটি স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই ধরনের নিবন্ধন এখন থেকে “শুধুমাত্র জরুরি পরিস্থিতিতেই” মঞ্জুর করা হবে।
পূর্ববর্তী নিয়ম অনুযায়ী, এই ধরনের ক্ষেত্রে সন্তানের জন্মের পর, নতুন ভিসা মঞ্জুরি এবং দেশত্যাগের অনুমতিসহ ভিসা পরিষেবা পাওয়ার জন্য অভিভাবকদের ৩০ দিনের মধ্যে নির্ধারিত অনলাইন পোর্টাল বা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে নিবন্ধন কর্মকর্তাকে ইলেকট্রনিকভাবে জানাতে হতো।
বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, এই উপ-বিধিটি সেইসব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না যেখানে পিতামাতার মধ্যে যেকোনো একজন ভারতীয় নাগরিক এবং তিনি সন্তানের ভারতীয় নাগরিকত্ব বজায় রাখতে ইচ্ছুক।
তবে এতে বলা হয়েছে যে, যদি শিশুটি পরবর্তী কোন পর্যায়ে ভারতে থাকাকালীন কোন বিদেশি দেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে, তাহলে শিশুটির সেই বিদেশি দেশের নাগরিকত্ব অর্জনের ত্রিশ দিনের মধ্যে তার বাবা-মায়ের যেকোন একজনকে নিবন্ধন কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানাতে হবে।
এই বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিটি হাসপাতাল, নার্সিং হোম বা অন্য কোন চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রতিবেদন দাখিলের আবশ্যকতা এবং প্রশাসনিক কার্যপ্রণালী সংক্রান্ত বিধানাবলীও সংশোধন করা হয়েছে, যেগুলো তাদের প্রাঙ্গণে চিকিৎসা, আবাসন এর সুবিধা দিয়ে থাকে।