০৫ মার্চ ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গুজরাত দাঙ্গার তদন্ত কমিটির নেতৃত্ব দেওয়া জাস্টিস নানাবতী প্রয়াত

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক :  চলে গেলেন ভারতের অন্যতম প্রখ্যাত বিচারপতি গিরিশ ঠাকুরলাল নানাবতী । শনিবার সকালে আহমেদাবাদের বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। বিকেল ৫.১৫ নাগাদ তার অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

পরিবার সূত্রে খবর, কিছুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত কারণে নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।শনিবার তাঁর শারীরিক অবস্থার আচমকাই অবনতি হয়। নানাবতী ১৯৫৮ সালে বম্বে হাইকোর্টে কর্মজীবন শুরু করেন । ১৯৭৯ সালে তিনি গুজরাত হাইকোর্টের বিচারপতি পদে নিযুক্ত হন। ১৯৯৩ সালে নানাবতীকে ওড়িশা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। একসময় গুজরাত, কর্নাটক, ওড়িশা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি । জাস্টিস নানাবতী অবসর গ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্ট থেকে। অবসরের পর ১৯৮৪-র দাঙ্গার তদন্তে গঠিন কমিশনের প্রধানপদে নিযুক্ত হন।

আরও পড়ুন: পড়ুয়াদের চাপ কমাতেই বাদ দেওয়া হয়েছে মুঘল ইতিহাস-গুজরাত দাঙ্গা : এনসিইআরটি

গোধরা কাণ্ড এবং গুজরাট দাঙ্গায় ১২০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।অনেকে বলেন বেসরকারি মতে এই মৃত্যু অনেক বেশি। নানাবতী কমিশন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের ক্লিন চিট দেয়। পুলিশ, বিজেপি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং বজরং দলকেও ক্লিন চিট দেয় নানাবতী কমিশন।

আরও পড়ুন: গুজরাত দাঙ্গার সাক্ষীরা আজও আতঙ্কে কেন

 

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

বসন্তে এসেছে গাছে গাছে আমের মুকুল রাউ ডন স্ট্রিটে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গুজরাত দাঙ্গার তদন্ত কমিটির নেতৃত্ব দেওয়া জাস্টিস নানাবতী প্রয়াত

আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০২১, শনিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক :  চলে গেলেন ভারতের অন্যতম প্রখ্যাত বিচারপতি গিরিশ ঠাকুরলাল নানাবতী । শনিবার সকালে আহমেদাবাদের বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। বিকেল ৫.১৫ নাগাদ তার অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

পরিবার সূত্রে খবর, কিছুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত কারণে নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।শনিবার তাঁর শারীরিক অবস্থার আচমকাই অবনতি হয়। নানাবতী ১৯৫৮ সালে বম্বে হাইকোর্টে কর্মজীবন শুরু করেন । ১৯৭৯ সালে তিনি গুজরাত হাইকোর্টের বিচারপতি পদে নিযুক্ত হন। ১৯৯৩ সালে নানাবতীকে ওড়িশা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। একসময় গুজরাত, কর্নাটক, ওড়িশা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি । জাস্টিস নানাবতী অবসর গ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্ট থেকে। অবসরের পর ১৯৮৪-র দাঙ্গার তদন্তে গঠিন কমিশনের প্রধানপদে নিযুক্ত হন।

আরও পড়ুন: পড়ুয়াদের চাপ কমাতেই বাদ দেওয়া হয়েছে মুঘল ইতিহাস-গুজরাত দাঙ্গা : এনসিইআরটি

গোধরা কাণ্ড এবং গুজরাট দাঙ্গায় ১২০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।অনেকে বলেন বেসরকারি মতে এই মৃত্যু অনেক বেশি। নানাবতী কমিশন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের ক্লিন চিট দেয়। পুলিশ, বিজেপি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং বজরং দলকেও ক্লিন চিট দেয় নানাবতী কমিশন।

আরও পড়ুন: গুজরাত দাঙ্গার সাক্ষীরা আজও আতঙ্কে কেন