ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের পাশে থেকে মঙ্গলকোটের বিভিন্ন পঞ্চায়েতের পড়ে থাকা কাজগুলির পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বেশি জোর দিতে চান। মঙ্গলকোটের নিগন গ্রামে ব্লকের বিভিন্ন মণ্ডল-সভাপতিদের পাশে বসিয়ে প্রতিবেদককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বললেন নব নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক শিশির ঘোষ। শুনলেন সেখ কুতুবউদ্দিন।
আরও পড়ুন:
আপনি মঙ্গলকোটের জনপ্রতিনিধি, আগামী দিনে আপনার লক্ষ্যগুলি কী রয়েছে?
আরও পড়ুন:
আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। সেই কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি বলেছেন ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’। সেই ভাবেই সবার জন্য কাজ করতে চাই।
আরও পড়ুন:
পঞ্চায়েত এবং পঞ্চায়েত সমিতিতে যে সমস্ত কাজ ‘পেন্ডিং’ বা স্থগিত রয়েছে, তার তালিকা নিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করে দ্রুত কাজগুলি শুরু হবে। পুরাতন কাজ শেষ করে নতুন কাজের পরিকল্পনা করবো, মানুষের দাবিগুলির উপর গুরুত্ব দেবো।
আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ক্ষেত্রে কোন কোন কাজগুলি আপনি শুরু করেছেন?
আরও পড়ুন:
ইতিমধ্যে মঙ্গলকোট ব্লক হাসপাতালের জন্য অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সিঙ্গট গ্রামীণ হাসপাতালের পরিকাঠামো সংস্কারের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। অনেক স্কুলকে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। বিধায়ক তহবিলের প্রথম পাওয়া টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে মঙ্গলকোটের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে। মঙ্গলকোটের বিদ্যুৎহীন আইসিডিএস সেন্টারে ইলেকট্রিকের ব্যবস্থা করা হবে।
আরও পড়ুন:
অনেক রাস্তা বেহাল, এই নিয়ে যদি কিছু বলেন?
আরও পড়ুন:
নিগন, কৈচর-২ (বনকাপাসি), শিমুলিয়া সহ বিভিন্ন পঞ্চায়েতে কিছুটা কাজ করলেও দীর্ঘদিন ধরে পড়ে রয়েছে। সেই কাজগুলিও শেষ করবো।
আরও পড়ুন:
এক্কেবারে কাজ না হওয়া জেলা পরিষদের রাস্তা নিয়ে কি ভাবনা?
আরও পড়ুন:
‘৯ জুন বর্ধমান জেলা পরিষদের তফতরে জাগেশ্বরডিহি (কোল্ড স্টোর) ডুমুরতলা থেকে চক-চৈতন্যপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত রাস্তার প্ল্যান ধরানো হয়েছে।
ইঞ্জিনিয়াররা কাজের সেই প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করবে। পাশাপাশি চৈতন্যপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে চৈতন্যপুর গ্রামের ভিতর দিয়ে মাথরুন গ্রামের মধ্য দিয়ে নবীনচন্দ্র বিদ্যায়তনের (হাইস্কুল) পাশ দিয়ে রাস্তার কাজ শুরু হবে দ্রুত।’ এলাকার মানুষের দাবি, চক অবৈতনিক বিদ্যালয়ের বিল্ডিং ও স্থানীয় একটি সেতুর অবস্থাও বেহাল। এই নিয়েও বিগত বিধায়কের কাছে দরবার করা হয়েছিল।আরও পড়ুন:
মঙ্গলকোটে বালি নিয়ে অনেক অভিযোগ রয়েছে, এই নিয়ে কী বলবেন?
আরও পড়ুন:
আগেই বলেছিলাম ভোটে জিতলে বালির দাম কমিয়ে দেবো। ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষের জন্য অজয় নদী থেকে ২ হাজার টাকা টলি-প্রতি বালির ব্যবস্থা করা, আবাসন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তদের ৮০০ টাকা ‘টলি’ বালি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরিবর্তী কালে আমরা পঞ্চায়েতে ও ব্লকে দূর্নীতি মুক্ত প্রশাসনের ব্যবস্থা করবো। এ'নও পর্যন্ত বিজেপির কর্মীর হাতে তৃণমূল বা কোনও বিরোধী কর্মী আক্রান্ত হয়নি এখানে।
আরও পড়ুন:
এখানে সব সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস। এই নিয়ে কিছু বলুন?
আরও পড়ুন:
কে কোনও পার্টির, কে কোন ধর্ম বা বর্ণের মানুষঅর্থাৎ হিন্দু, মুসলিম, জৈন, খ্রিষ্টান যে কোনও ধর্মের মানুষ হোক, আমি সকলের বিধায়ক। সবাইকে নিয়ে এক সঙ্গে মঙ্গলকোটের উন্নয়ন ঘটাবো---এটাই আমার একমাত্র সংকল্প ও লক্ষ্য।
আরও পড়ুন:
স্থানীয়দের অনেক অভিযোগ ও দাবি রয়েছে, এই নিয়ে কী বলবেন।
আরও পড়ুন:
স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক রাস্তা ও স্কুলের পরিকাঠামো বেহাল। জাগেশ্বরডিহি-চক-চৈতন্যপুর জেলা পরিষদের রাস্তা। জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন রোডে কাজ হলেও ‘এই রাস্তাটি’ কোনও দিনই হাত দেয়নি জেলা পরিষদ। তবে এই কাজের বিষয়টি আগে থেকেই প্রক্রিয়া চলছে বলেও জেলা পরিষদ জানিয়েছিল। পাশাপাশি চক অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোও বেহাল। এই স্কুলের বিল্ডিয়ের একাংশও ভগ্নপ্রায়। কাটোয়া- বর্ধমান এলাকার মানুষের দাবি, অ্যাম্বুলেন্স ও নিত্যযাত্রীদের স্বার্থে কাটোয়া-বর্ধমান সড়ক পথের বাম্বারগুলি উঠিয়ে দেওয়া হোক। এই বিষয়ে অন্য এলাকার বিধায়ক ও জেলা পরিষদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।