পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনসংখ্যাগত পরিবর্তন এবং এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব মূল্যায়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আগেভাগেই একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। শনিবার সেই কমিটির বৈঠকে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে জনসংখ্যার বিন্যাসের পরিবর্তনের ওপর বিস্তারিত সমীক্ষা চালানো এবং এর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রভাব মূল্যায়নের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিনের বৈঠকে স্বয়ং শাহ সভাপতিত্ব করেন এবং সেখান থেকেই তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেন।
আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর অনুযায়ী, অস্বাভাবিক কোনো কারণে সীমান্ত অঞ্চলে জনসংখ্যাগত পরিবর্তন ঘটছে কিনা, তা খতিয়ে দেখার জন্যই অমিত শাহ এই বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন।
সীমান্ত অঞ্চলের পাশাপাশি বড় বড় মহানগর এবং শিল্পাঞ্চলগুলোতেও সরেজমিনে পরিদর্শনের ওপর তিনি বিশেষ জোর আরোপ করেছেন। উল্লেখ্য যে, গত মাসেই এই উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি প্রকাশ প্রভাকর নাওলেকার।আরও পড়ুন:
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন জনগণনা কমিশনার মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ন, প্রাক্তন আইএএস কর্মকর্তা দুর্গা শঙ্কর মিশ্র, প্রাক্তন আইপিএস কর্মকর্তা বালাজী শ্রীবাস্তব এবং বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ শমিকা রভিল।
এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ফরেনার্স ডিভিশন-১-এর যুগ্ম সচিব কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বৈঠকে অমিত শাহ জনসংখ্যাগত পরিবর্তন বিষয়টিকে জাতীয় সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত বলে উল্লেখ করেছেন।আরও পড়ুন:
তাঁর মতে, জনসংখ্যার বিন্যাসে কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন সামাজিক কাঠামো এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। নির্দেশ অনুযায়ী, এই কমিটি দেশের বিভিন্ন অংশে জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের মূল কারণ অনুসন্ধান করবে এবং এর প্রবণতাগুলো চিহ্নিত করবে। সেই সঙ্গে নীতিগত, আইনগত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের প্রয়োজনীয় সুপারিশও করবে এই কমিটি। এছাড়াও বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রদায়ের মধ্যে জনসংখ্যার এই পরিবর্তনের ধারা বিশ্লেষণ করা হবে, বিশেষ করে সেই সব অঞ্চলে যেখানে জনসংখ্যার প্রবণতা জাতীয় বা আঞ্চলিক গড়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে ভিন্ন।