পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: খালিস্তান নেতা হরদীপ সিং নিজ্জরের হত্যা নিয়ে যখন কানাডার সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক বিবাদ শুরু হয়েছে সেই সময় ভারতেও নিজ্জরকে শহীদ বানিয়ে হত্যার প্রতিবাদে আওয়াজ ওঠা শুরু হল। শুক্রবার পঞ্জাবের অমৃতসরে স্বর্ণমন্দিরের বাইরে বিক্ষোভ দেখাল  কয়েকশো শিখ সংগঠনের সদস্য। তাদের দাবি কানাডার প্রধানমন্ত্রী যখন ঘোষণা দিয়েছেন নিজ্জর হত্যায় ভারতীয় এজেন্ট জড়িত রয়েছে তাহলে এখনই তদন্ত করে হত্যাকারীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। এই দাবি নিয়ে অমৃতসরে জমায়েত হয় কয়েকশো শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ।
তাদের হাতে ছিল পোস্টারে নিজ্জরের ছবি এবং নিজ্জরকে শহীদ আখ্যা দেওয়া হয়েছে পোস্টারে।

নিজ্জরকে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়েছিল ভারত। যদিও কানাডায় গিয়ে খালিস্তানি আন্দোলন শুরু  করে নিজ্জর। কানাডায় ভারতীয় দূতাবাসে ও কনসুলেটের সামনে খালিস্তানি পতাকা ও ব্যানার ঝুলিয়ে রাখা হয়।
হুমকি দেওয়া হয় কূটনীতিকদেরকেও। অপরদিকে ভারতের এক শ্রেণির মিডিয়া নিজ্জরকে কট্টর খালিস্তানপন্থী আখ্যা দিয়েছে এবং কানাডা সরকার খালিস্তানিদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ার সমালোচনাও করছে আর সেইসময় নিজ্জরকে শহীদ আখ্যা দিয়ে অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরে বিক্ষোভ প্রদর্শন  নিঃসন্দেহে ভারত সরকার তথা বিদেশমন্ত্রকের  কাছে মাথাব্যাথার কারণ।

শিখরা যেসব পোস্টার ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ দেখায় তাতে লেখা রয়েছে ভারত সরকার এভাবে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গুপ্তহত্যা বন্ধ করুক। দল খালসা এই বিক্ষোভের আয়োজন করে।
দল খালসার প্রধান পরমজিৎ সিং মান বলেন, ভারত সরকার শিখদের সঙ্গে আলোচনায় বসুক। খালসার আর এক নেতা কর্নওয়ার পল কানাডা সরকারের প্রশংসা করে বলেন, আমরা ট্রুডো সরকারকে ধন্যবাদ জানাই সত্যটা তুলে ধরার জন্য। ভারতীয় এজেন্টরা বিদেশের মাটিতে শিখদের টার্গেট করেছে কীভাবে এটা প্রকাশ করে দিল কানাডা সরকার।

অমৃতসরে প্রায় ৪০০ জন শিখ এই বিক্ষোভ প্রদর্শনে অংশ নেয়। পরে তারা অমৃতসর মন্দিরে  প্রার্থনা করে। জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগে ধৃত শিখ যুবকদের মুক্তির দাবি জানায় তারা।