পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ ভোটের আগে রাজ্যে সক্রিয় হয়ে উঠেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। একের পর তল্লাশি অভিযান চালানোর পাশাপাশি আটক করছে। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সমালোচনার মুখে পড়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই আবহে এবার তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক বন্ধের খবর ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। দাবি করা হচ্ছে, নাকি ভোট মুখী বাংলায় কর্মীদের ২০ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ ভোটের সময় সংস্থার কাজ বন্ধ থাকবে।

এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূলের মধ্যে অস্বস্তি বেড়ে যায়। তবে তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই খবর ভুয়ো। এবার এনিয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

রবিবার তারকেশ্বরে নির্বাচনী প্রচার থেকে মমতা আশ্বাস দেন, প্রয়োজন হলে আইপ্যাকের সঙ্গে যুক্ত যুবক-যুবতীদের চাকরির বন্দোবস্ত করা হবে। মমতা এপ্রসঙ্গে ইডি অভিযানের কথা উল্লেখ করে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, " ইডি প্রতিদিন অভিযান চালাচ্ছে। ভোটের সময় এখন সব মনে পড়ছে।

আর তৃণমূলের এজেন্সিগুলোকে বাংলা ছেড়ে চলে যেতে বলা হচ্ছে। এর পরেই মমতা বলেন, "ওদের ভয় দেখালে তৃণমূলে যোগ দেবে। তৃণমূল তাঁদের চাকরি দেবে। একটিও ছেলেমেয়ে চাকরিহারা হবে না বলে আশ্বাস দেন মমতা।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সকালে হেভিওয়েট প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেদিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোনয়নের এক প্রস্তাবক-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা বলেন, আমার যে আয়কর দেখে তার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। আমাদের প্রার্থী দেবাশিস কুমারকে ১৬ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছে যাতে প্রচার করতে না পারেন। আমার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীর বাড়িতেও রেড হয়েছে। আমাকে খুন করে বাংলা পেতে পারেন কি না চেষ্টা করুন। 

শুধু বিজেপিকেই নয়, সিপিএমকেও আক্রমণ করেন মমতা। তিনি বলেন, সিপিএমের আমলে অনেকবার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু সে চেষ্টা সফল হবে না। শুভেন্দু  অধিকারীকে নাম না করে গদ্দার বলে তোপ দাগেন মমতা। মমতার প্রশ্ন,  তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে যদি তল্লাশি হয় তাহলে কেন বিজেপির নেতাদের বাড়িতে তল্লাশি হবে না।