পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ছোটবেলায় বাবার ফলের ঠেলাগাড়ি চালাতে সাহায্য করতেন, স্কুল শেষে গ্যারেজে কাজ করতেন সামান্য উপার্জনের জন্য। আজ সেই ইরফান শেখই হয়েছেন নিজের প্রাক্তন স্কুলের অধ্যক্ষ এবং রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পেয়েছেন পিএইচডি ডিগ্রি। গুজরাতের আহমেদাবাদের শাহপুরের এই তরুণের জীবন এখন এক অনুপ্রেরণার গল্প।
আরও পড়ুন:
ফলবিক্রেতা বাবা মহম্মদ ইব্রাহিম শেখের সংসারে অভাব ছিল নিত্যসঙ্গী।
সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই গ্যারেজে কাজ করতে শুরু করেন ইরফান। স্কুল ছেড়ে দেওয়ার কথাও ভেবেছিলেন একসময়, কিন্তু মায়ের উৎসাহে আবার বই হাতে তোলেন তিনি। কঠোর পরিশ্রম আর একাগ্রতায় পেরিয়ে যান একের পর এক বাধা।আরও পড়ুন:
যে স্কুলে একসময় পড়তেন, সেখানেই শিক্ষকতার সুযোগ পান ইরফান।
পরিশ্রমের স্বীকৃতিস্বরূপ ধীরে ধীরে সেই স্কুলের অধ্যক্ষের পদে উন্নীত হন তিনি। পড়ুয়াদের মুখস্থ নির্ভরতা দূর করতে শুরু করেন ৩ডি অ্যানিমেশনভিত্তিক শিক্ষণ পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা। তাঁর এই গবেষণাই তাঁকে গুজরাত বিদ্যাপীঠ থেকে পিএইচডি অর্জনের সুযোগ এনে দেয়।আরও পড়ুন:
গত ১১ অক্টোবর দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে পিএইচডি ডিগ্রি গ্রহণ করেন ইরফান শেখ। নিজের সাফল্যকে তিনি বাবা-মা, শিক্ষক ও বন্ধুদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এখন তাঁর লক্ষ্য, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়া।