পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ২৩টি ‘হিংস্রপ্রজাতির কুকুর’ আমদানি, বিক্রি, প্রজননের উপরে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে লড়াই গড়াল আদালতের আঙিনায়।কর্ণাটক হাইকোর্ট বুধবার 'হিংস্র কুকুর'-এর ২৩টি প্রজাতি নিষিদ্ধ করার কেন্দ্রের সাম্প্রতিক সার্কুলারটি বাতিল করে দিয়েছে। আদালত নিষেধাজ্ঞা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট আবেদন মঞ্জুর করেছেন।
আদালত বলেছে যে কেন্দ্র সঠিক পরামর্শের পরে এবং যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে আরেকটি সার্কুলার জারি করতে পারে।
আরও পড়ুন:
১২ মার্চ এক নির্দেশিকায় কেন্দ্রের প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ও ডেয়ারি দফতর সব রাজ্যকে জানায়, কুকুরের কামড়ে মৃত্যুর কয়েকটি সাম্প্রতিক ঘটনার ভিত্তিতে পদক্ষেপ করতে তাদের আর্জি জানিয়েছিল বিভিন্ন শিবির।
তার পরেই একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়ে কেন্দ্র। তারা রটওয়েলার, পিটবুল-সহ ২৩টি প্রজাতির কুকুরকে হিংস্র ও মানুষের পক্ষে বিপজ্জনক হিসাবে চিহ্নিত করেছে। রাজ্যগুলিকে এই সব প্রজাতির কুকুর বিক্রি, প্রজনন, আমদানির উপরে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার নির্দেশ দেয় কেন্দ্র। যে সব কুকুর ইতিমধ্যে পোষ্য হিসেবে রয়েছে, সেগুলির নির্বীজকরণের নির্দেশও দেওয়া হয়।আরও পড়ুন:
বিচারপতির মতে, উপযুক্ত গবেষণা ছাড়াই এই প্রজাতিগুলিকে ‘হিংস্র’ তকমা দেওয়া হয়েছে।
কেন তাদের পোষা মানবাধিকার লঙ্ঘন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর মত, নির্বীজকরণের ক্ষেত্রে বয়স উল্লেখ করা হয়নি। আবেদনকারীর বক্তব্য, ‘‘নিষেধাজ্ঞার পরে ওই প্রজাতির কুকুরের প্রতি অবহেলা দেখা দিতে পারে।’’আরও পড়ুন:
এই নিষেধাজ্ঞার উপরে আংশিক স্থগিতাদেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। দিল্লি হাইকোর্টেও পেশ হয়েছে আবেদন।
অবশ্য কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করে, ইউপি সরকার সমস্ত স্থানীয় সংস্থা এবং জেলা প্রশাসনকে "হিংস্র" হিসাবে বিবেচিত ২৩ জাতের কুকুরের আমদানি, প্রজনন এবং বিক্রয় নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। প্রজাতির মধ্যে রয়েছে পিটবুল টেরিয়ার, রটওয়েইলার এবং ডোগো আর্জেন্টিনো ,আমেরিকান বুলডগ, তোসা ইনু, আকিতা ('হাচিকো' সিনেমার) এবং ফিলা ব্রাসিলিরো।তালিকায় "টেরিয়ার", নেকড়ে কুকুর এবং "মাস্টিফস (বোয়ারবুল)" উল্লেখ করা হয়েছে।আরও পড়ুন:
তিনটিই কুকুরের বৃহত্তর বিভাগ এবং কোন জাত নিষিদ্ধ তা স্পষ্ট নয়। নেকড়ে কুকুর, উদাহরণস্বরূপ, সাইবেরিয়ান হুস্কি এবং আলাস্কান ম্যালামুটকে উল্লেখ করতে পারে, উভয় জাত যেগুলি ভারতে অস্বাভাবিক নয় এবং কুকুর প্রেমীদের দ্বারা পছন্দ হয়। কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তির উপর ভিত্তি করে রাজ্যের নির্দেশ, স্থানীয় সংস্থা এবং জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেয় যে ২৩টি নিষিদ্ধ জাতগুলির কোনওটির জন্য অনুমতি বা লাইসেন্স ইস্যু করবে না।