পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের সদর দফতরে ঘটা বিধ্বংসী আলিপুর অগ্নিকাণ্ড ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কয়েক হাজার ইভিএম মেশিন পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে অতিরিক্ত সিইও অরিন্দম নিয়োগী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিল ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞের একটি দল। পুরো ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন:
প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, সবমিলিয়ে প্রায় ৪ হাজার ব্যালট ইউনিট, ৪ হাজার কন্ট্রোল ইউনিট এবং ৪ হাজার ভিভিপ্যাট ভস্মীভূত হয়েছে। এই ভবনে কসবা, যাদবপুর, বেহালা পূর্ব-পশ্চিম, মেটিয়াবুরুজ এবং সাতগাছিয়া সহ ডায়মন্ড হারবার মহকুমার অধিকাংশ বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম সংরক্ষিত ছিল। আলিপুর অগ্নিকাণ্ড বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখছেন নির্বাচন কমিশনের পদস্থ আধিকারিকরা।
আরও পড়ুন:
এদিকে, এই অগ্নিকাণ্ডে দাহ্যবস্তুর পাশাপাশি বন্যপ্রাণীর দেহাংশও পুড়ে গিয়েছে। এর মধ্যে বাঘ ও হরিণের চামড়া এবং কুমিরের দাঁত রয়েছে।
জানা যায়, ভবনের বিভিন্ন আলমারিতে চোরাশিকারিদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বন্যপ্রাণীর নানা অংশ সংরক্ষিত ছিল এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন দ্বীপের চোরাশিকারিদের ডেটাবেসও এখানেই রাখা হত। এর আগের দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। তিনি আগুন লাগার কারণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ৪ ও ৫ তলায় আগুন লাগার পর তা ৯ ও ১০ তলায় ছড়িয়ে পড়ল। ৬, ৭ এবং ৮ তলা অক্ষত থাকা সত্ত্বেও সিঁড়িতে আগুন লাগার বিষয়টি তদন্তকারীদের ভাবিয়ে তুলেছে। এই সিঁড়ি বেয়েই আগুন ওপরের তলায় ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে প্রাথমিক অনুমান করা হচ্ছে।