কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার কলকাতার বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে গত এক দশকেরও বেশি সময়ে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে হওয়া উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন। এদিন তিনি একটি সাংবাদিক বৈঠকও করেন।
আরও পড়ুন:
বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, মোদি শুধুমাত্র দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে রেকর্ডই গড়েননি, নিজেকে দেশের ‘প্রধান সেবক’ হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
আবাসন, খাদ্য নিরাপত্তা, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের কৃতিত্ব তিনি মোদি সরকারের ঝুলিতে তুলে দেন।আরও পড়ুন:
শুভেন্দু দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারত আজ বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। গত ১২ বছরে দেশে চার লক্ষ কিলোমিটারেরও বেশি পাকা রাস্তা নির্মিত হয়েছে, উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের সংখ্যা এবং মোবাইল উৎপাদনে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। পাশাপাশি, ৮২ কোটিরও বেশি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ এবং দুগ্ধ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরেন তিনি।
আরও পড়ুন:
পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, গত কয়েক বছরে দেশে একাধিক নতুন বিমানবন্দর, আইআইটি এবং এইমস প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
রেলের আধুনিকীকরণ, স্বাস্থ্য পরিষেবার সম্প্রসারণ এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করেন তিনি।আরও পড়ুন:
এছাড়াও, ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের সুফল পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ইতিমধ্যেই পাচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, ২০১৪ সালের ভারতের সঙ্গে বর্তমান ভারতের পার্থক্য আজ স্পষ্ট। দেশের ঐতিহ্য ও উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে এনডিএ সরকার নতুন ভারতের ভিত্তি গড়ে তুলছে।
আরও পড়ুন:
সবশেষে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আগামী ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তোলাই কেন্দ্র সরকারের প্রধান লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে দেশ।”