পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: পৃথিবীর তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলো আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি উদ্বেগজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। বিশ্বের শীর্ষ জলবায়ু বিজ্ঞানীদের এক যৌথ গবেষণায় এমনই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। গবেষকদের মতে, বর্তমান হারে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ চলতে থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যেই বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের সীমা স্পর্শ করতে পারে।
আরও পড়ুন:
গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৫ সালে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা শিল্পবিপ্লব-পূর্ব সময়ের তুলনায় ১.৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।
এর প্রায় পুরো অংশই মানুষের কর্মকাণ্ডের ফল। বিশেষ করে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রাতিরিক্ত নিঃসরণ উষ্ণায়নের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।আরও পড়ুন:
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পৃথিবী এখন আগের চেয়ে অনেক দ্রুত তাপ শোষণ করছে। ফলে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সামুদ্রিক তাপপ্রবাহের ঘটনাও বেড়ে চলেছে।
গত এক শতাব্দীর বেশি সময়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় ২৩ সেন্টিমিটার বেড়েছে।আরও পড়ুন:
এদিকে জলবায়ু পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত উপগ্রহ, সমুদ্রভিত্তিক যন্ত্র ও অন্যান্য পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার অর্থায়ন কমে যাওয়ায় নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গবেষকদের আশঙ্কা, পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাই দুর্বল হয়ে পড়লে জলবায়ু সংকট মোকাবিলার কাজ আরও কঠিন হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন:
বিশেষজ্ঞদের মতে, পৃথিবীকে বিপজ্জনক উষ্ণতা থেকে বাঁচাতে দ্রুত কার্বন নিঃসরণ কমানো ছাড়া আর কোনো কার্যকর বিকল্প নেই। না হলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।