পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক : তিরিশ বছরের জন্মদিন সেলিব্রেশন করলেন আইএএস আতহার আমির খান। একসময় আইএএস টপার টিনা দাবি ও আইএএস আতহার আমির খান দুজনের বিয়ে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া সরগরম হয়। তবে সমাজ ছেড়ে কথা বলেনি। দুই যুবক-যুবতীকে শাসন করার অভিভাবত্ব তুলে নিয়েছিল নিজের কাঁধে! দুই ভিনধর্মী মানুষের বিয়ে নিয়ে সমাজ সমস্ত ক্ষোভ উগরে দিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়।  তবে বলা যায় এই বিয়ের মাধ্যমেই হাই প্রোফাইল এই বিয়ে লাইম লাইটে আসে।

 মেহরীনের সঙ্গে সম্পন্ন আংটি বিনিময়, এবার ধূমধাম করে জন্মদিন সেলিব্রেশন সারলেন আইএএস আতহার আমির খান 

খুব কম দিনেই আতহার আমির খান আর টিনা দাবি'র পরিচিতি জনপ্রিয়তা পায়।  তবে দুজনের এই বিয়ে বেশিদিন টেকেনি।

বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। তার পর দুজনেই ফের মনের মতো সঙ্গী বেছে নেন।  আতহার আমির খান ২০১৫ ইউপিএসসি ব্যাচের দ্বিতীয় শীর্ষস্থানীয় আইএএস। তবে সোশ্যাল মিডিয়া আইএএস আতহার আমির খানকে চিনেছিল টিনা দাবির প্রাক্তন স্বামী হিসেবে।

 মেহরীনের সঙ্গে সম্পন্ন আংটি বিনিময়, এবার ধূমধাম করে জন্মদিন সেলিব্রেশন সারলেন আইএএস আতহার আমির খান 

আইএএস টপার টিনা দাবির সঙ্গে তার বিবাহ বিচ্ছেদের পরে, আইএএস আতহার আমির বর্তমানে ডাঃ মেহরীন কাজীর সঙ্গে আংটি বিনিময় করেন। মেহরীন পেশায় একজন ডাক্তার এবং আতহার আমির খানের মতোই কাশ্মীরের বাসিন্দা।

আইএএস আতহার আমিরের সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে ডেটিং করার পর দুজনেই বিয়ের জন্য সম্মত হন। চিকিৎসক ছাড়াও মেহরীন একজন ফ্যাশন ডিজাইনার।

তিনি একটি মহিলা সম্পর্কিত ব্র্যান্ডের প্রচার চালিয়ে থাকেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। ইন্সটাগ্রামে তার প্রায় দুলক্ষের বেশি ফলোয়ার আছে।  অন্যদিকে টিনা দাবি ২০১৫ সালের আইএএস টপার।

আতহার আমিরের সঙ্গে ২০১৮ সালের ৭ এপ্রিল টিনা দাবির বিয়ে হয়। ২০২১ সালের ১০ আগস্ট দুজনের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এর পর টিনা দাবি ফের বিয়ে করেন আইএএস টপার ডাঃ প্রদীপ গাওয়ান্দেকে। জয়পুরে বিবাহ বন্ধনে আবব্ধ হন দুজনে। প্রথমে দিকে আতহার এবং টিনা দাবি একই রাজ্যের ভিলওয়ারা, রাজস্থানে কর্মরত ছিলেন।

পরে টিনা দাবি শ্রী গঙ্গানগরে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে নিযুক্ত হন। পরে আতহার জম্মু-কাশ্মীর ক্যাডারে নিযুক্ত হন।  দলিত মেয়ে হয়ে সমাজের বিরুদ্ধে গিয়ে ভালোবাসে বিয়ে সমাজের রক্তচক্ষুর সামনে দাঁড়াতে হয়েছিল আতহার আমির ও টিনাকে।

 মেহরীনের সঙ্গে সম্পন্ন আংটি বিনিময়, এবার ধূমধাম করে জন্মদিন সেলিব্রেশন সারলেন আইএএস আতহার আমির খান 

দুজনেই ছিলেন দাপুটে আইএএস অফিসার হলে সমাজের কাছে ভিনধর্মই ছিল বড় একটি বিষয়। টিনা দাবি ইউপিএসসি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন আর স্বামী আতহার আমির খান ছিলেন ইউপিএস পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়েছিলেন। ২০১৫ সাল। দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়। পরিণতি পায় প্রণয়ে। এর পর ২০১৮ সালে কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে প্রণয় পরিণতি পেয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। পথচলা শুরু হয় টিনা ও আতহার আমির খানের। কিন্তু বেশিদিন টিকল না সেই হাই প্রোফাইল বিয়ে।