ইরানের প্রভাবশালী নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগে একই দিন সকালে ইসরায়েল দাবি করেছিল, তেহরানে লক্ষ্য করে চালানো এক বিমান হামলায় লারিজানিকে হত্যা করা হয়েছে।
আধা-সরকারি বার্তা সংস্থার প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দায়িত্ব পালনরত অবস্থাতেই আলী লারিজানি শাহাদাত বরণ করেছেন।
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ইরানের পরমাণু নীতি ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে লারিজানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁকে দেশের অন্যতম প্রভাবশালী নীতিনির্ধারক হিসেবে বিবেচনা করা হতো।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর দাবি, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর লারিজানিই কার্যত দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। তিনি একাধারে দেশের সাবেক সংসদীয় প্রধান এবং সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান সচিব ছিলেন। তাঁর মৃত্যু ইরানের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে, একই দিনে পৃথক আরেকটি হামলায় ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী ‘বাসিজ’-এর প্রধান গোলামরেজা সোলেইমানিও নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এই দুই নেতার মৃত্যু চলমান সংঘাতে ইরানের জন্য বড় ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ঘটনাকে বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এটি সন্ত্রাসী শাসনের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ বিজয়।