পুবের কলম প্রতিবেদক: ভিন্ন মতের প্রতি সহনশীল না হয়ে পারস্পরিক হিংসা ও আক্রমণ আমাদের ধর্মীয় জলসাগুলি থেকে অনবরত চলছে। নিজেদের ব্যক্তিগতস্বার্থে এক শ্রেণির আলেম এই কাজটি সুচতুরভাবে করে যাচ্ছেন। আর এ কারণে আমাদের ইসলামের শান্তি নিয়ে ঐতিহ্যগত গৌরব থাকলেও আজ তা হারাতে বসেছে। এর ফলে একদিকে নবী সা.কে অবমাননার পাশাপাশি ইসলামের ভিত নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। এর থেকে আমাদের বেরিয়ে আসা দরকার।
মুসলিম জাতির উন্নতির ধারাকে শক্তিশালী করতে ইসলামি ঐক্যকে জোরদার করতে হবে। এমনই আহ্বান জানালেন বিশিষ্ট আলেম ও শিক্ষক এবং ইসলামী ঐক্যের আহ্বায়ক আমিনুল আম্বিয়া।আরও পড়ুন:

রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার স্বরুপনগর থানার স্বরূপনগর ইসলামিয়া পাঠাগার এর ৪১ তম সাধারণ সভা উপলক্ষে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তিনি। অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি ড.আজিজার রহমান বলেন, ধর্ম,সমাজ, বিজ্ঞান ইত্যাদি বিষয়ের আকর গ্রন্থগুলি পাঠাগারে থাকা দরকার। কারণ অনেক সময় তথ্যগত ভুলে ভরা বইপুস্তক পাঠ সমাজের পক্ষে ভয়ানক।
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, অনেক জাল হাদিস সাধারণ মুসলিমদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে। নিজেরা আত্মকলহে জড়িয়ে পড়ে। এতে সমাজের অগ্রগতির বদলে অবনতি বেশি হয়।আরও পড়ুন:
জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক ড. নিরঞ্জন বন্দোপাধ্যায় বলেন, স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন মৌলানা আবুল কালাম আজাদ। দেশের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোর উপরে সম্প্রীতির ভিত মজবুত করতে ও আধুনিক শিক্ষার ভিত্তি স্থাপন করতে শিক্ষাকে সার্বজনীন অধিকার হিসেবে বাস্তবায়িত করতে চেয়েছিলেন তিনি।
তিনি ছিলেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মূর্ত প্রতীক।আরও পড়ুন:

এদিন পাঠাগারের বার্ষিক মুখপত্র আল হামরা পত্রিকার ১৪ তম সংখ্যা প্রকাশিত হয়। তেলাওয়াতে কলাম পাক পেশ করেন, মাওলানা আব্দুর রহমান ও নাবাবিয়া মিশনের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র শেখ মুহাম্মদ ইয়াসির আরাফাত। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ড. মোস্তফা আব্দুল কাইয়ুম, সমাজসেবী ও শহীদ তিতুমীর মিশনের সম্পাদক রবিউল হক, সজাগ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক শেখ বাহারুল ইসলাম, কবি আমির আলী, পাঠাগারের সভাপতি নুর ইসলাম সরদার, সহ-সভাপতি আলহাজ মোহাম্মদ আলী, সম্পাদক মো. রওশন আলী স্বরূপনগর পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ রমেন সরদার, মাওলানা শামসুদ্দোহা কাসেমী, স্বরূপনগর থানার ভারপ্রাপ্ত অধিকারী প্রতাপ মোদক, গো এডুকেশনের কর্ণধার ড. হাসানুজ্জামান প্রমুখ।
আরও পড়ুন:
কবিতা পাঠ করেন কবি রমজান আলী। আখেরি মোনাজাত করেন হাফেজ তরিকুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন ইমরান হোসেন ও আলহামরা পত্রিকা সম্পাদক এনামুল হক।