পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট ঘিরে ক্রমেই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। এই বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের পথে হাঁটতে পারে নির্বাচন কমিশন। এমনটাই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেক্ষেত্রে পুনর্নির্বাচন হলে ফল ঘোষণা পিছোতে পারে। এমনটাও জানা যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন সুত্রে। তবে তার আগে কমিশনে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হতে পারে বলে খবর।

এরইমধ্যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ফলতার হাসিমনগর এলাকা। 

ফলতা নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর ইতিমধ্যেই রিপোর্ট চেয়ে পাঠায় নির্বাচন কমিশন। প্রাথমিকভাবে ফলতা নিয়ে একাধিক অসঙ্গতি উঠে এসেছে নির্বাচন কমিশনের স্ক্রুটিনিতে। অভিযোগ ওঠে, কোথাও ইভিএমে টেপ লাগানো ছিল আবার কোথাও আতর লাগানো ছিল। একইসঙ্গে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা সেখানে প্নরায় ভোটের দাবি জানান। সেই অভিযোগ সামনে আসতেই নির্বাচন  কমিশনের সিইও দফতর রিপোর্ট চেয়ে পাঠায়।

কমিশন  সুত্রে জানা যাচ্ছে, সবকিছু খতিয়ে দেখার পর গোটা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রেই পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। আর সেটা হলে ওই কেন্দ্রের গণনা আলদা করে ৪ তারিখের পরে হতে পারে। 

প্রসঙ্গত, প্রথম দফার ভোট শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে। সেক্ষেত্রেও কোথাও পুনর্নির্বাচন হয়নি। তবে দ্বিতীয় দফায় ৭৭ টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি ওঠে। বলে রাখা প্রয়োজন, প্রথম দফার ভোটে দাবি না উঠলেও দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি ওঠে।

এরমধ্যে আজ শনিবার দুই বিধানসভার ১৫টি বুথে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে পুননির্বাচন চলছেন। এরমধ্যে মগরাহাট পশ্চিমের ১১টি এবং ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে চলছে পুননির্বাচন। অন্যদিকে, ফলতা থেকে ৩২ টি অভিযোগ জমা পড়েছে।  এছাড়াও, বজবজ থেকে ৩টি অভিযোগ জমা পড়ে। এরমধ্যে, ফলতা বিধানসভায় পুননির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে দফায় দফায়।পাশাপাশি সেখানকার বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মারধর ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিশাল পুলিশবাহিনীর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী।