পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ বেলা ৩ টে পর্যন্ত ১৫ টি বুথে ভোট পড়ল ৭২.৪৩ শতাংশ। আজ শনিবার মগরাহাট পশ্চিমের ১১ টি এবং ডায়মন্ড হারবারের ৪ টি বুথে পুননির্বাচন চলছে। এরমধ্যে ভোটদানের হারে এগিয়ে মগরাহাট পশ্চিম। এখানে ভোট পড়েছে ৭২.৫০ শতাংশ। অন্যদিকে, ডায়মন্ড হারবারে ভোট পড়েছে ৭২.৩৬ শতাংশ। ডায়মন্ড হারবারে সাময়িক বিক্ষোভ ছাড়া অশান্তির কোনও খবর এখনও পাওয়া যায়নি।

 

প্রথম দফার নির্বাচনে পুনর্ভোটের দাবি না উঠলেও দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই একাধিক বুথে অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। মোট ৭৭টি বুথে ফের ভোটগ্রহণের দাবি জমা পড়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে। অভিযোগগুলি মূলত দক্ষিণ ২৪ পরগনার চারটি বিধানসভা কেন্দ্র ঘিরে। কমিশন সূত্রে জানা যায়, সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে ফলতা থেকে। সেখানে ৩২টি অভিযোগ জমা পড়ে। ডায়মন্ড হারবার থেকে ২৯টি, মগরাহাট থেকে ১৩টি এবং বজবজ থেকে ৩টি অভিযোগ জমা হয়েছিল।

 

অভিযোগের তালিকায় ছিল ইভিএমে টেপ লাগিয়ে দেওয়া, যন্ত্রে সুগন্ধি পদার্থ লাগানো থেকে শুরু করে নজরদারি ক্যামেরা ঢেকে দেওয়ার মতো বিষয়ও। এর মধ্যেই ভোটের শেষ পর্যায়ে আরও গুরুতর অভিযোগ পৌঁছয় কমিশনের কাছে। অভিযোগ ওঠে, ভোটারদের জামার পকেটে গোপন ক্যামেরা রেখে বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছিল কে কোন প্রতীকে ভোট দিচ্ছেন। মগরাহাট পশ্চিম এলাকা থেকেই এই অভিযোগ জমা পড়ে। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলি ঘুরে দেখেন এবং কমিশনের কাছে রিপোর্ট জমা দেন। সূত্রের খবর, তিনি ফলতার ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করেছিলেন।

তবে শেষ পর্যন্ত কমিশন মগরাহাট পশ্চিমের ১১টি এবং ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে পুনর্ভোটের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলতায় কোনও বুথে ফের ভোটের নির্দেশ দেওয়া হয়নি। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর তরজা। তৃণমূলের প্রশ্ন, দ্বিতীয় দফার ভোটে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কড়া নিরাপত্তা ও বিশেষ নজরদারি থাকার পরেও কেন পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন পড়ল। ফলতায় পুননির্বাচনের দাবি উঠেছে। সেখানে ইতিমধ্যেই রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেখানে পুননির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন সুত্রের খবর।