শেখ জামাল, মেদিনীপুর:- মেদিনীপুরে প্রশাসনিক বৈঠক থেকেই খড়্গপুরে সাইকেল হাব তৈরির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে সাইকেল হাব প্রসঙ্গে বলেন, বিভিন্ন শিল্পপতিরা বিনিয়োগ করবেন বলে জানিয়েছেন ৷
আরও পড়ুন:
এদিন তবে সভার শুরুতে মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রকে নিশানা করে বলেন,একশো দিনের টাকা দিচ্ছে না।কবে দেবে তার ঠিক নেই, চারমাস বন্ধ করেছে ৷ মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, পুর্তদফতর, জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর, কৃষিদফতর, পঞ্চায়েত দফতর নিজেদের রোজকার করণীয় কাজগুলির জন্য একটি ক্রাইসিস ফান্ড তৈরি করুক ৷ সেই টাকা দিয়ে একশো দিনের প্রকল্পের কাজ গুলির ধারাবাহিক ভাবে করে যাক ৷ "
আরও পড়ুন:
এদিন মুখ্যমন্ত্রী ঘাটাল ও মেদিনীপুরের বন্যা প্রসঙ্গে জেলা শাসককে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন। যে কোনও পরিস্থিতি যাতে মোকাবিলা করা যায় সেই দিকেই নজর দিতে বলেন তিনি।
আরও পড়ুন:
এদিন কাজের খতিয়ান নিয়ে ফের মুখ্যমন্ত্রীর ধমকের সামনে পড়েন জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা সিংহ হাজরা। জেলাপরিষদে গত কয়েকমাস ধরে দুটি কর্মাধ্যক্ষ পদ খালি রয়েছে তা নিয়ে কারণ জিজ্ঞাসা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
মুখ্যমন্ত্রী এদিন দলের নেতাদের কাছ থেকে কণিকা মান্ডি ও চন্দন সাহার নাম বকেয়া থাকা কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
আরও পড়ুন:
সেই সঙ্গে গড়বেতায় গাছ কেটে পাচার করার বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনকে সক্রিয় হাতে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী এদিন কড়া ভাষায় বলেন, যারাই এই কান্ডে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে সক্রিয় পদক্ষেপ কড়া হাতে নিক পুলিশ ৷ বনদফতর ও যারা এই কান্ডে জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধেও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক৷আরও পড়ুন:
সম্প্রতি খড়্গপুরে ক্রমবর্ধমান চুরি, ছিনতাইয়ের ঘটনা প্রসঙ্গে পুলিশের ওসিকে কাছ থেকে পরিস্থিতির খোঁজ খবর নেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে নিয়মিত নাকা ও নজরদারির নির্দেশ দিয়েছেন৷
আরও পড়ুন:
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, খড়্গপুর ও মেদিনীপুর শহরকে সিসিটিভি দিয়ে মুড়ে ফেলা হোক৷ কড়া নজরদারি রাখুক সর্বত্র ৷ রেল পথে বন্দুক সহ সমাজবিরোধীরা প্রবেশ করছে সীমান্ত পার হয়েছে৷ প্রয়োজনে রেলের স্থানেও পুলিশ নাকা তল্লাশি করুক ৷ এজন্য নির্দেশ দিচ্ছি দফতর থেকে আরও ৪০০ নজরদারি সিসিটিভি লাগানো হোক খড়্গপুরে, হোক মেদিনীপুরেও ৷"
আরও পড়ুন:
এরপরই কেশিয়াড়ীর ওসিকে কেশিয়াড়ীতে মোহন ভগবতের উপস্থিতি নিয়ে সতর্ক থাকতে বলেন ৷ জেলার বিভিন্ন বিধায়ককে এক এক করে ডেকে কাজের খোঁজ নেন মুখ্যমন্ত্রী ৷ পরে সেখান থেকে মেদিনীপুর শহরের উন্নয়নে ফুটপাথ তৈরি ও নতুন করে সাজানোর পরামর্শ দেন তিনি ৷
আরও পড়ুন:
মেদিনীপুর শহরে একটি পেক্ষাগৃহ তৈরির জন্য বিভাগীয় দফতরে নির্দেশ দেন৷ শালবনি স্টেডিয়ামকে মহিলা ফুটবল অ্যাকাডেমি হিসেবে কাজ করার পরামর্শ দেন৷ সেই সঙ্গে কর্ণগড়কে হেরিটেজ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ৷ পর্যটন ক্ষেত্রে বেশ কিছু উদ্বোধন করে টুরিস্ট গাইড তৈরি পরামর্শ দিয়েছেন তিনি ৷
আরও পড়ুন:
শেষমেশ লোধাশবরদের প্রতিনিধি বলাই নায়েক-এর সমস্যা প্রসঙ্গে ফের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যারা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড গ্রহণ করে পরিষেবা দিচ্ছে না, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ করুন। দরকার লাইসেন্স বাতিল করা হবে তাদের ৷
আরও পড়ুন:
সভা সেরে মেদিনীপুর শহরের বার্জটাউন এলাকাতে পশ্চিম মেদিনীপুর প্রেস ক্লাবের নতুন নির্মিত ভবন উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ৷ ক্লাবে গিয়ে ফিতে কেটে উদ্বোধন করার সঙ্গে সঙ্গে ক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন ৷ ক্লাব ঘরের নাম করণ করেছেন- 'স্বরবর্ণ '৷
আরও পড়ুন:
মুখ্যমন্ত্রী রাতে থাকছেন -মেদিনীপুর সার্কিট হাউসে ৷ বুধবার বেলা ১১ টা নাগাদ মেদিনীপুর কলেজ মাঠে জেলার বুথ স্তরের কর্মীদের নিয়ে কর্মিসভা করবেন ৷ পরে সেখানে থেকে হেলিকপ্টারে করে রওয়ানা দেবেন ঝাড়গ্রামে। সেখানে বিকেল তিনটা থেকে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন ৷ রাতে সেখানে থেকে পরদিন একটি কর্মিসভা করবেন পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে।
আরও পড়ুন: