কুতুব উদ্দিন মোল্লা, ক্যানিং : মাছ ধরার মরশুম শুরু হয়েছে মাসখানেক আগে, অথচ এখনও সুন্দরবনের নদীতে যেতে পারছেন না বহু মৎস্যজীবী। কারণ, মাছ ধরার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি পত্র (বিএলসি) নিয়ে জটিলতা। এই পরিস্থিতি বনমন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদাকে জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি, এমনই অভিযোগ মৎস্যজীবী সংগঠনের।
আরও পড়ুন:
অভিযোগ, বিএলসি অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু করেছে বনদপ্তর। যাদের নামে অনুমতি, তাদেরই থাকতে হবে নৌকায়।
বহু ক্ষেত্রে নিহত মৎস্যজীবীদের স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা সেই অনুমতি পত্র ভাড়া দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। নতুন নিয়মে তারাও বিপাকে।আরও পড়ুন:
যার ফলে, ঝড়খালি, ক্যানিং, মৌখালী, বাসন্তী, কুলতলির শতাধিক মৎস্যজীবী বুধবার ক্যানিং বাসস্ট্যান্ডে জমায়েত হয়ে মিছিল করেন। পরে তাঁরা ব্যাঘ্র প্রকল্প অফিসে গণডেপুটেশন জমা দেন। দাবি, অবিলম্বে মাছ ধরার অনুমতি চালু করতে হবে।
না হলে শুরু হবে অনির্দিষ্টকালীন অবস্থান-বিক্ষোভ।আর বিষয়ে ব্যাঘ্র প্রকল্পের দাবি, অনেকেই রয়েছেন যারা অনুমতি নিয়ে নিজেরা মাছ ধরতে যান না, বরং ভাড়া দেন অন্যকে। প্রকৃত মৎস্যজীবীরাই যাতে জঙ্গলে যান, তাই এই পদক্ষেপ। আর এই অবস্থায় চরম আর্থিক সঙ্কটে পড়েছেন মৎস্যজীবীরা। কেউ কেউ ইতিমধ্যেই অন্য রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে পাড়ি দিয়েছেন জীবিকার খোঁজে।