ওয়াহিদ রেজা, মুর্শিদাবাদ: গ্রাম বাংলার মানুষের মাথার ওপর পাকা ছাদ নিশ্চিত করতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘বাংলার বাড়ি (গ্রামীণ)’ প্রকল্প মুর্শিদাবাদ জেলায় এক বিশাল সাফল্যের মুখ দেখছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পের অধীনে ঘর পাওয়ার জন্য যোগ্য উপভোক্তাদের তালিকা চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনুদানের টাকা পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়াও দ্রুত গতিতে শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
যে সমস্ত যোগ্য উপভোক্তারা প্রথম পর্যায়ে অনুদান পাননি, তাদের জন্য অক্টোবর ২০২৫ থেকে পুনরায় সমীক্ষা বা রি-সার্ভে করানো হয়। এই নতুন সমীক্ষার ভিত্তিতে আরও ১,২৩,৩৭৪ জন যোগ্য উপভোক্তা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। আনন্দের বিষয় হলো, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই নতুন পর্যায়ের উপভোক্তাদের জন্য ইতিমধ্যেই প্রথম কিস্তির ৬৬০.০১৪ কোটি টাকা মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসনের কাছে পৌঁছে গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি উপভোক্তা প্রথম কিস্তিতে ৬০,০০০ টাকা করে পাবেন। জেলা ও ব্লক স্তরে এই অর্থ বিলি করার জন্য সরকারি প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
আশা করা হচ্ছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই উপভোক্তারা সরাসরি তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই প্রথম কিস্তির টাকা পেয়ে যাবেন। পরবর্তী ধাপে, নিয়ম মেনে লিন্টেল স্তর পর্যন্ত বাড়ি নির্মাণের কাজ শেষ হলে উপভোক্তারা দ্বিতীয় কিস্তির আরও ৬০,০০০ টাকা হাতে পাবেন। উল্লেখ্য, গৃহ নির্মাণের এই সম্পূর্ণ অনুদান পশ্চিমবঙ্গ সরকার এককভাবেই প্রদান করছে, যা জেলার গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, বাংলার বাড়ি আবাস যোজনার টাকা কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে রেখেছে কয়েক বছর থেকে। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কয়েক লক্ষ কোটি টাকা পাওনা রাজ্যের। বাংলার মানুষের কথা বিবেচনা করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার রাজ্যের তহবিল থেকেই এই বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা প্রদান করছেন এর ফলে লক্ষ লক্ষ গৃহহীন পরিবার তাদের মাথার উপর ছাদ পাচ্ছেন তাহলে উপকৃত হচ্ছেন লক্ষ লক্ষ পরিবার।