পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে নাটকীয় মোড়। মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান পরিবর্তন করলেন তৃণমূল প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। দলীয় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনার পরেই তিনি আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। ফলে উপনির্বাচনের লড়াইয়ের ময়দানেই থাকছেন তিনি এবং প্রত্যাহার করছেন না তাঁর মনোনয়ন। জাতীয় নির্বাচন কমিশন ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও জোড়াফুল প্রতীক স্থগিত করার পর মমতাপন্থীদের নতুন দল ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ পেয়েছে ‘ফুটবলার’ প্রতীক।
এই নতুন প্রতীকেই ভোটযুদ্ধে নামছেন রবিউল।উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে টানটান উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। নন্দীগ্রামে মমতার প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়ে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর পরেই জল্পনা ছড়িয়েছিল রেজিনগর নিয়েও। শনিবার সকালেই রবিউল আলম চৌধুরী জানিয়েছিলেন, কর্মীদের উপর নানা চাপ রয়েছে এবং ভোট করানোর পর্যাপ্ত লোক না থাকায় তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। রবিউলের এই ঘোষণার ফলে পশ্চিমবঙ্গের ২৯ বছরের নির্বাচনী ইতিহাসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ছাড়া ভোটের এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছিল।
তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই মমতার সঙ্গে ফোনে কথা বলে অবস্থান বদলান রবিউল। তিনি স্পষ্ট জানান, দলীয় নেত্রীর নির্দেশ মেনেই তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। যত কম কর্মীই পাশে থাকুন না কেন, তাঁদের নিয়েই বুথ সামলে নির্বাচনে লড়বেন তিনি। নতুন প্রতীক নিয়ে লড়াই প্রসঙ্গে তিনি জানান, আগেও বহু প্রতিকূল নির্বাচনে তাঁরা লড়াই করেছেন, এ বারও নেত্রীর নির্দেশই শেষ কথা। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে রেজিনগরে আসবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি।