পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ফাঁসির সাজার কোনও পরোয়া তিনি করেন না। দেশবাসীর এই সঙ্কটের মুহূর্তে তাঁদের পাশে দাঁড়াতে যে কোনও মূল্যে ঢাকায় ফিরতে মরিয়া বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা। সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরেই দেশে ফিরে আসার ইচ্ছে রয়েছে তাঁর।
২০২৪ সালের জুলাই-অগস্ট মাসের গণআন্দোলনের সময় হত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শুনিয়েছে।

তা সত্ত্বেও তিনি দেশে ফিরে আদালতের মুখোমুখি হতে বদ্ধপরিকর। সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট জানান, দেশের অন্যতম কঠিন সময়ে মানুষের পাশে থাকার আকাঙ্ক্ষাই তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। তিনি আইনের মুখোমুখি হতে পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে তাঁর দাবি, বিচারপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ হতে হবে।
আগে থেকে ঠিক করে রাখা কোনও রায়ের ভিত্তিতে প্রহসনের বিচার মানতে নারাজ তিনি।
দু'বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের বাইরে স্বেচ্ছানির্বাসনে রয়েছেন শেখ হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, এই দীর্ঘ সময়ে দেশে আওয়ামী লীগের নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের উপর ক্রমাগত রাজনৈতিক নিপীড়ন চলছে। দলের উপরেও নেমে এসেছে সরকারি নিষেধাজ্ঞার খাঁড়া। এই পরিস্থিতিতে তাঁর দেশে ফেরার মূল উদ্দেশ্য ক্ষমতা পুনর্দখল নয়, বরং অনুগামীদের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করা এবং সাধারণ মানুষকে তাঁদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ করে দেওয়া। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার বা তাঁর দল বিএনপির সঙ্গে পর্দার আড়ালে কোনও রকম গোপন সমঝোতা করে তিনি দেশে ফিরবেন না বলেও সাফ জানিয়েছেন মুজিব-কন্যা।