পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রির সত্যতা নিয়ে সমালোচকদের তোপের মুখে পড়ে অবশেষে মুখ খুললেন ‘কাকরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ প্রকাশে রাজি হলেও, বিষয়টিকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন তিনি। 'এক্স'-এ প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি ট্যাগ করে দিপকের প্রস্তাব, এই বিতর্কের স্থায়ী অবসান ঘটাতে দু'জনেই একই সঙ্গে নিজেদের ডিগ্রির শংসাপত্র জনসমক্ষে আনুন। ডিপকে কটাক্ষের সুরে মন্তব্য করেন, ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দীর্ঘ ১২ বছরেও দেশের মানুষ তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার আসল নথি দেখার সুযোগ পাননি।
 
শিক্ষার্থী সংকট, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং বেকারত্ব ইস্যুতে ২০২৬ সালের মে মাসে ছাত্র আন্দোলনের হাত ধরে আত্মপ্রকাশ ঘটে এই রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক দল 'কাকরোচ জনতা পার্টি'র।

প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ডিপকে বারবার প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রির বিষয়টি তুলে আসছেন। তাঁর যুক্তি, বিশ্ববিখ্যাত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের প্রাক্তন নামী শিক্ষার্থীদের নাম গর্বের সঙ্গে তালিকাভুক্ত করলেও দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে সেভাবে উদযাপিত করে না। সামাজিক মাধ্যমে নিজের বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়ে সমালোচকরা প্রশ্ন তুললে দিপকে স্পষ্ট জানান, "আমার স্কলারশিপ ও এডুকেশন লোনের কাগজপত্রসহ যাবতীয় নথিপত্র প্রকাশ্যে আনতে আমার কোনো দ্বিধা নেই। তবে শর্ত একটাই—প্রধানমন্ত্রীকেও তাঁর ডিগ্রি জনসমক্ষে আনতে হবে।"
 
প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি সংক্রান্ত এই বিতর্কের সূচনা প্রায় এক দশক আগে। দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও আম আদমি পার্টি আরটিআই আইনের অধীনে মোদির বিএ এবং এমএ সার্টিফিকেটের বৈষম্য তুলে ধরে নথি প্রকাশের দাবি তুলেছিলেন।