বাঁকুড়ার ইন্দাসে আব্দুল নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ১০ দিনের সময়সীমা দিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)। একই সঙ্গে ইন্দাস থানার পুলিশকর্মীদের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের দাবি জানিয়েছে দলটি।
আরও পড়ুন:
সোমবার দিল্লি থেকে ইন্দাসের কারিশুন্দা গ্রামে গিয়ে নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন CJP-র মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি নিহত আব্দুলের ছেলে হাফিজের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। একই দিনে সিপিআই(এম)-এর রাজ্য কমিটির সদস্য শতরূপ ঘোষ ও ময়ূখ বিশ্বাসও পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন।
আরও পড়ুন:
পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, “আমরা বাংলার সরকারকে ১০ দিন সময় দিচ্ছি। এই সময়ের মধ্যে সমস্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠাতে হবে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ধারা প্রয়োগ করতে হবে।”
আরও পড়ুন:
পাশাপাশি ইন্দাস থানার পুলিশকর্মীদের ভূমিকা নিয়ে আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানান তিনি। তাঁর অভিযোগ, ঘটনার পর পরিবারটি পুলিশের কাছ থেকে যথাযথ সহযোগিতা পায়নি।
আরও পড়ুন:
তবে এই ঘটনার পর সরকারি ক্ষতিপূরণ নিতে অস্বীকার করেছে নিহতের পরিবার।
আব্দুলের ছেলে শেখ আব্দুল হাফিজের দাবি, ক্ষতিপূরণের পরিবর্তে তাঁর বাবার নামে একটি উন্নতমানের সরকারি স্কুল তৈরি করা হোক।হাফিজ বলেন, “আমার বাবার মৃত্যুর পর ক্ষতিপূরণের যে কথা বলা হয়েছে, তা আমি অস্বীকার করছি। তার পরিবর্তে আমার দাবি, আমাদের রাজ্যে আমার বাবার নামে একটি ওয়ার্ল্ড-ক্লাস সরকারি স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হোক।”
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, এই স্কুল থেকেই সারা দেশে শিক্ষা সংস্কারের আন্দোলনের সূচনা হতে পারে। তাঁর কথায়, শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন এবং সেই লক্ষ্যেই তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
আরও পড়ুন:
হাফিজের বক্তব্য, “শিক্ষা ব্যবস্থার যথাযথ সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আমরা এক ইঞ্চিও পিছু হটব না, কোনও আপসও করব না।” তাঁর দাবি, সরকার যদি সত্যিই শিক্ষার উন্নয়ন চায়, তাহলে ক্ষতিপূরণের পরিবর্তে তাঁর বাবার নামে একটি উন্নতমানের সরকারি স্কুল প্রতিষ্ঠা করে তা প্রমাণ করুক।