পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৩৭০ কোটি টাকা জমা পড়া নিয়ে দলের অন্দরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। ঘাসফুল শিবিরের চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ থাকা এবং তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলার মাঝেই এই বিপুল অর্থ জমা পড়ার খবর সামনে আসায় তৈরি হয়েছে চরম বিভ্রান্তি। এত বড় অঙ্কের টাকা কোথা থেকে এল, এতদিন কোথায় ছিল এবং কেন ভোটের পরেই তা জমা পড়ল এই প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ অংশ।

ঋতব্রত শিবিরের দাবি, এই অর্থের উৎস, জমার সময় এবং ব্যবহারের উদ্দেশ্য প্রকাশ্যে আনা অত্যন্ত জরুরি।

পাশাপাশি শীর্ষ আদালতে কালীঘাট তৃণমূলের তরফে ২১টি কার্যালয়ের ভাড়া এবং ২৫০ জন কর্মীর বেতন বাবদ প্রতি মাসে বিপুল খরচের যে দাবি করা হয়েছে, তার আর্থিক পদ্ধতি ও হিসাব নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এই লেনদেনগুলি ব্যাঙ্কের মাধ্যমে হয়েছে নাকি অন্য কোনও পথে, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়ে বিষয়টি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ও আদালতের নজরে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।

এদিকে, বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ার অভিযোগ ও কার্যালয়ের খরচের হিসাব নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে উঠলেও কালীঘাট তৃণমূলের তরফে এখনও এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। গোটা বিষয়টি তদন্তের পরই প্রকৃত সত্য প্রকাশ্যে আসবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।