নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে একের পর এক আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের মুখে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ নগেন্দ্র রায় ওরফে অনন্ত মহারাজ। বৃহস্পতিবার তাঁর ‘বঙ্গবিভূষণ’ সম্মান প্রত্যাহার করার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল কোচবিহার জেলা পুলিশ।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, ফরওয়ার্ড ব্লক সমর্থক গোপাল দে-র অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা করা হয়েছে। নেতাজিকে নিয়ে অনন্ত মহারাজের মন্তব্যের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি অনন্ত মহারাজ দাবি করেছিলেন, ভারতের স্বাধীনতা অর্জনে নেতাজির কোনও ভূমিকা ছিল না। পাশাপাশি আজাদ হিন্দ ফৌজ নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও বিতর্ক তৈরি হলে রাজ্য সরকার বৃহস্পতিবার তাঁর বঙ্গবিভূষণ সম্মান প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানায়।
আরও পড়ুন:
এরপরই রাতে সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়োবার্তায় দুঃখপ্রকাশ করেন অনন্ত মহারাজ।
তিনি বলেন, নেতাজি সম্পর্কে তাঁর কিছু বক্তব্য অনিচ্ছাকৃত ছিল এবং তাঁর কথায় কেউ মানসিকভাবে আঘাত পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তবে সেই দুঃখপ্রকাশের পরও তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ থামেনি।আরও পড়ুন:
কোচবিহারের পুলিশ সুপার মণীশ জোশী জানিয়েছেন, গত ৭ আগস্ট অনন্তের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এফআইআর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
অভিযোগকারী গোপাল দে জানান, তাঁরা নেতাজির আদর্শে বিশ্বাসী এবং তাঁর সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য তাঁরা মেনে নিতে পারছেন না। অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাঁর সাংসদ পদ বাতিলেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
এদিকে নেতাজিকে নিয়ে সমাজমাধ্যমে কুরুচিকর মন্তব্যের বিরুদ্ধে রাজ্যজুড়ে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—নেতাজিকে অবমাননা করে কোনও মন্তব্য বা পোস্ট করা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:
নেতাজিকে ঘিরে বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনায় কোচবিহারে ইতিমধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।