পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: আর জি কর কাণ্ডের তদন্তে বড়সড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। প্রমাণ লোপাটের গুরুতর অভিযোগে ওড়িশা থেকে গ্রেপ্তার করা হল পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষকে। অভিযোগ, আর জি করের নির্যাতিতার দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করে তিনি প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছিলেন। এমনকি, নিহতের পরিবারের কোনও সই ছাড়াই এবং তাঁদের কাছ থেকে সৎকারের খরচ না নিয়েই সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে এই কাজ করা হয়েছিল বলে দাবি।

গত ৯ আগস্ট আর জি করের ঘটনার পর নির্যাতিতার দেহ দ্রুত সৎকারের বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি সরব হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

তিনি এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেন। এই বেআইনি সৎকারের নেপথ্যে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের নাম উঠে আসে। এরপর গত সোমবার খড়দহ থানায় এঁদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতার বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তৎপরতার সঙ্গে পদক্ষেপ করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে বা শুক্রবার সকালের মধ্যেই তাঁকে রাজ্যে ফিরিয়ে আনা হতে পারে।

উল্লেখ্য, লটারিকাণ্ড-সহ আরও বেশ কিছু দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে এই প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের। এর আগে তোলাবাজির অভিযোগে গত ১৩ জুলাই তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। নির্মল ঘোষের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, আর জি কর কাণ্ডে কোনও দোষীকেই রেয়াত করা হবে না। অন্যদিকে, রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ মন্তব্য করেছেন, নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে, এবার একে একে সমস্ত অপরাধীই ধরা পড়বে।