আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় নতুন অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হওয়া পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে শুক্রবার সকালে খড়দহ থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। পরে তাঁকে ব্যারাকপুর মহকুমা আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় থানার সামনে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়।

নির্মলকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন বিক্ষোভকারীরা। ডিমের আঘাত থেকে বাঁচতে হেলমেট পরেছিলেন তিনি। কিন্তু তাতেও রেহাই মেলেনি।

থানার দরজা থেকে পুলিশের প্রিজ়ন ভ্যান পর্যন্ত যাওয়ার পথে তাঁকে ঘিরে ধস্তাধস্তি হয়। কিল, চড় ও লাথি মারার অভিযোগও উঠেছে।

একই ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কেও লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। থানার সামনে বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীদের কয়েকজনের হাতে জুতোর মালাও দেখা যায়।

আরজি কর-কাণ্ডে নির্যাতিতার বাবার নতুন অভিযোগের ভিত্তিতে নির্মল ও সঞ্জীবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই মামলায় আরও এক অভিযুক্ত, তৃণমূলের পুরপ্রতিনিধি সোমনাথ দে-র খোঁজে তল্লাশি চলছে।

২০২৪ সালের ৯ আগস্ট আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে কর্তব্যরত তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। সেই সময় দ্রুত দেহ সৎকার করা এবং পরিবারের অনুমতি না নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। নির্যাতিতার বাবার নতুন অভিযোগে সেই ঘটনাতেই নির্মল, সঞ্জীব ও সোমনাথের নাম উঠে এসেছে।

শুক্রবার নির্মল ও সঞ্জীবকে আদালতে তোলার সময় নির্যাতিতার বাবাও খড়দহ থানায় উপস্থিত ছিলেন।