পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি বিজেপি। ২৪০টি আসন পাওয়ায় এনডিএ জোটের (২৯৩ আসন) সাহায্যে সরকার গড়তে হয়েছে তাদের। এই পরিস্থিতিতে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে এখন থেকেই নিজেদের সংগঠনে বড়সড় রদবদল করল গেরুয়া শিবির। দলের ভিত আরও মজবুত করতে আরএসএস বা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সঙ্গে যুক্ত নেতাদের উপরই ফের ভরসা রাখছে বিজেপি নেতৃত্ব।
আরও পড়ুন:
সোমবারের এই রদবদলে সবচেয়ে বড় চমক হল রাম মাধবের প্রত্যাবর্তন।
২০১৪ সালে মোদি সরকারের প্রথম মেয়াদে বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উত্তর-পূর্ব ভারত এবং জম্মু ও কাশ্মীরে দলের বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এই একদা সংঘ প্রচারক। তবে ২০২০ সালে তৎকালীন সভাপতি জেপি নাড্ডা তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেন এবং তিনি ফের সংঘে ফিরে যান। দীর্ঘ ছ'বছর পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপে বিজেপির জাতীয় সহ-সভাপতি হিসেবে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলেন রাম মাধব।আরও পড়ুন:
রাম মাধবের পাশাপাশি সংঘের আরেক প্রচারক সুনীল বনসলকেও জাতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল রেখেছে দল। উত্তরপ্রদেশে টানা জয় এবং বাংলায় বিজেপির উত্থানে তাঁর বড় অবদান রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামী লোকসভা নির্বাচনে শুধুমাত্র মোদি বা অমিত শাহের জনপ্রিয়তার উপর পুরোপুরি নির্ভর না করে, সংঘের সাংগঠনিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূল স্তরে দলকে আরও শক্তিশালী করতেই এই নতুন কৌশল নিয়েছে বিজেপি।