রাজস্থানের রামপুরায় বেহাল স্কুলভবন নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল প্রশাসন। যে স্কুলের পড়াশোনা এতদিন একটি গোয়ালঘরে চলছিল, সেই ভগ্নপ্রায় ভবনটি এবার বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও শিক্ষাদপ্তরের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে ভবনটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

ককরোচ জনতা পার্টির ‘স্কুল ঠিক করো’ কর্মসূচির শুরুতেই রাজস্থানের রামপুরার এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা সামনে আসে।

অভিযোগ ছিল, স্কুলভবনটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে যাওয়ায় গোয়ালঘরে বসেই পড়াশোনা করতে হচ্ছিল পড়ুয়াদের। সেই পরিস্থিতির ছবি প্রকাশ্যে আসার পর অস্বস্তিতে পড়ে রাজ্যের বিজেপি সরকার। স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে সিজেপির প্রতিনিধিরা বিজেপির হামলার মুখে পড়েছিলেন বলেও অভিযোগ ওঠে।

প্রশাসনের দাবি, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরেই ভবনটিকে ‘বিপজ্জনক’ ঘোষণা করা হয়েছিল এবং এরপর সেখানে আর পড়াশোনা হত না।

তবে সিজেপির কর্মসূচির পর গত মাসে রাজ্য সরকার ঘোষণা করে, প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে দ্রুত নতুন স্কুলভবন তৈরি করা হবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুরনো ভবনটি ভেঙে ফেলে নতুন নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

এক শিক্ষক জানান, নতুন ভবন তৈরি হলে পড়ুয়া ও শিক্ষক—উভয়েরই সুবিধা হবে। নতুন স্কুল তৈরির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কাও। তাঁর দাবি, স্কুল পরিদর্শনের সময় তাঁদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া, মহিলাদের হেনস্থা এবং তাঁদের গাড়ির কাচ ভাঙার মতো ঘটনাও ঘটেছিল। তবে শিশুদের জন্য নতুন স্কুল তৈরি হচ্ছে, সেটিই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।