পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: বর্ষায় বিপর্যস্ত দেশের একাধিক রাজ্য। প্রবল বৃষ্টি, ভূমিধস ও হড়পা বানের জেরে উত্তরাখণ্ড এবং অসমে নতুন করে অন্তত ১১ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গিয়েছে। এই দুই রাজ্যের পাশাপাশি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও ঝাড়খণ্ডেও।
দেবভূমি উত্তরাখণ্ডে টানা বৃষ্টির জেরে জনজীবন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
আরও পড়ুন:
প্রশাসন সূত্রে খবর, আলমোড়ায় বাড়ির দেওয়াল ভেঙে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং বন্যার জলের তোড়ে গাড়ি ভেসে গিয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আলমোড়া, টিহরী, নৈনীতাল, বাগেশ্বর, উধম সিং নগর এবং পৌড়ীতে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে, যা প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই পিথোরাগড়, নৈনীতাল এবং বাগেশ্বরে দু’টি হাইওয়ে-সহ রাজ্যের মোট ১৭২টি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
এর পাশাপাশি, গোলা নদীতে ২৭ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে এবং নদীটি বর্তমানে বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। এর ফলে পার্শ্ববর্তী হলদোয়ানী, উধম সিং নগর, শান্তিপুরী, পুলভট্টা ও সূর্যনগর এলাকা প্লাবিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, অসমও প্রবল বৃষ্টি ও বন্যার প্রকোপে ধুঁকছে। গুয়াহাটিতে দুটি পৃথক ভূমিধসের ঘটনায় চারজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
মাথঘারিয়া এলাকায় পাহাড় ধসে একটি বাড়ির উপর পড়ায় এক দম্পতি এবং তাঁদের ১১ বছরের শিশুকন্যার মৃত্যু হয়। তবে ধ্বংসস্তূপের মাটি সরিয়ে পরিবারের ১৯ বছরের এক যুবককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। শহরের অন্য একটি স্থানে ধস নামার কারণে এক ৬৫ বছর বয়সি বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। টানা বৃষ্টির জেরে গুয়াহাটির বহু রাস্তা বর্তমানে জলের তলায়।আরও পড়ুন:
এই দুই রাজ্যের পাশাপাশি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ঝাড়খণ্ড, বিহার এবং উত্তরপ্রদেশ। এই তিন রাজ্যেই নতুন করে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিশেষত, বিহার ও উত্তরপ্রদেশের বর্তমান এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির জন্য নেপাল থেকে নেমে আসা প্লাবনকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।