চিকিৎসা কিংবা অন্য কোনও প্রয়োজনে কলকাতা ভ্রমণের আগে অগ্রিম হোটেল বুকিং নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের বিশেষভাবে সতর্ক করল কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন। বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে কলকাতায় এসে অনভিপ্রেত আবাসন সমস্যায় পড়া এড়াতে এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের একাধিক মূল ধারার গণমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।

দেশটির উপ-হাইকমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ১৯ আগস্ট কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তার দিক থেকে ঝুঁকিপূর্ণ বেশ কিছু আবাসিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।

স্থানীয় নিরাপত্তাবিধি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন মেনে এসব প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করতে এক মাসেরও বেশি সময় লাগতে পারে। ফলে আগে থেকে বুকিং না করে কলকাতায় এলে অনেক বাংলাদেশি পর্যটক ও রোগীর সফরসঙ্গীকে আবাসন সমস্যায় পড়তে হতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে কলকাতায় আসার আগেই সংশ্লিষ্ট হোটেলের বুকিং নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছে উপ-হাইকমিশন। শুধু বুকিং করলেই হবে না, হোটেলটি বর্তমানে চালু রয়েছে কি না, নির্ধারিত তারিখে কক্ষ পাওয়া যাবে কি না এবং হোটেলটির সঠিক অবস্থান কোথায়-এসব তথ্যও আগে থেকে যাচাই করতে বলা হয়েছে।

বিশেষ করে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় আসা বাংলাদেশি রোগীদের সফরসঙ্গীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল থেকে হোটেলের দূরত্ব, কক্ষের প্রাপ্যতা, বুকিংয়ের বৈধতা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে ভ্রমণের আগেই নিশ্চিত হতে বলা হয়েছে।

উপ-হাইকমিশনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, কলকাতায় পৌঁছানোর পর আবাসনের সমস্যায় যাতে পড়তে না হয়, সেজন্য যাত্রার আগেই হোটেল সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য যাচাই করা জরুরি। অগ্রিম হোটেল বুকিং নিশ্চিত না করে কলকাতায় ভ্রমণ না করার বিষয়টিকেই বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।