পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: জালে জাতি শংসাপত্র বিতর্ক! তবে এই অভিযোগকে সরাসরি 'রাজনৈতিক চক্রান্ত' বলে উড়িয়ে দিলেন থানে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মিম কাউন্সিলর সাহার শেখ। সোমবার এক সাংবাদিক বৈঠকে সাহার এবং তাঁর বাবা ইউনুস শেখ দাবি করেন, তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করতেই বিরোধীরা এই ভিত্তিহীন অভিযোগ সামনে এনেছে।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, থানে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মিম কাউন্সিলর সাহার শেখের ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দানা বেঁধেছে বিতর্ক।
তবে এই অভিযোগকে নস্যাৎ করে দিয়ে সোমবার সাহার এবং তাঁর বাবা ইউনুস শেখ সাংবাদিক বৈঠকে সরব হন। তাঁদের দাবি, সাহার যেভাবে রাজনৈতিকভাবে উত্থান ঘটাচ্ছেন, তাতে ভীত হয়েই প্রতিদ্বন্দ্বীরা এই ষড়যন্ত্র লিপ্ত হয়েছে। নিজেদের শংসাপত্রকে বৈধ প্রমাণ করতে ইউনুস শেখ সংবাদমাধ্যমের সামনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন। সাহারের পরিবার 'মুসলিম তেলি' সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত, যা সরকারিভাবে ওবিসি তালিকাভুক্ত। তাঁদের দাবি, ১৯৫৮ সাল থেকেই ইউনুস শেখ মুম্বাইয়ের বাসিন্দা। এর স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় নথিপত্র তাঁরা জমা দিয়েছেন। উত্তরপ্রদেশে বসবাসকারী কাকার জাতি শংসাপত্রও প্রমাণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে। ২০১১ সালের ২৭ এপ্রিল থানে তহসিলদার অফিস থেকেই বৈধভাবে এই শংসাপত্রটি ইস্যু করা হয়েছিল।আরও পড়ুন:
সাংবাদিক বৈঠকে সাহার শেখের পরিবার তহসিলদার উমেশ পাতিলের বিরুদ্ধে একতরফা ও পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ এনেছেন। ইউনুস শেখের প্রশ্ন, "অভিযোগকারীর নথিতে এবং আমাদের নথিতে একই আধিকারিকের স্বাক্ষর রয়েছে। তাহলে কীভাবে মাত্র একটি শুনানিতে আমাদের নথিকে 'ভুয়ো' বলে গণ্য করা হলো?" সাহার শেখ সরাসরি এনসিপি-র দুই গোষ্ঠীকেই এই আক্রমণের জন্য দায়ী করেছেন। তাঁর অভিযোগ, আইনি মারপ্যাঁচে ফেলে তাঁকে কাজ করা থেকে বিরত রাখা এবং তাঁর কাউন্সিলর পদ বাতিলের চেষ্টা করছে বিরোধীরা। সাহার বলেন, "আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। সমস্ত তথ্য ও নথি সঠিক থাকা সত্ত্বেও আমাকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে।"